হযরত ইসহাক (আ:) | Hazrat ishap | নবীদের জীবনী | Nhrepon.com

হযরত ইসহাক (আলাইহিস সালাম)



হযরত ইসহাক ছিলেন ইবরাহীম (আঃ)-এর প্রথমা স্ত্রী সারাহ-এর গর্ভজাত একমাত্র পুত্র। তিনি ছিলেন হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর চৌদ্দ বছরের ছোট।

এই সময় সারাহর বয়স ছিল ৯০ এবং ইবরাহীমের বয়স ছিল ১০০। অতি বার্ধ্যক্যের হতাশ বয়সে বন্ধ্যা নারী সারাহ্-কে ইসহাক জন্মের সুসংবাদ নিয়ে ফেরেশতা আগমনের ঘটনা আমরা ইতিপূর্বে বিবৃত করেছি।

পবিত্র কুরআনে আকর্ষণীয় ভঙ্গীতে এ বিষয়ে আলোচিত হয়েছে সূরা হূদ ৭১-৭৩ আয়াতে, হিজর ৫১-৫৬ আয়াতে এবং যারিয়াত ২৪-৩০ আয়াতে- যা আমরা ইবরাহীমের জীবনীতে বর্ণনা করেছি।

 আল্লাহ ইসমাঈলকে দিয়ে যেমন মক্কার জনপদকে তাওহীদের আলোকে উদ্ভাসিত করেছিলেন, তেমনি ইসহাক্বকে নবুঅত দান করে তার মাধ্যমে শাম-এর বিস্তীর্ণ এলাকা আবাদ করেছিলেন।



হযরত ইবরাহীম (আঃ) স্বীয় জীবদ্দশায় পুত্র ইসহাক্বকে বিয়ে দিয়েছিলেন রাফক্বা বিনতে বাতওয়াঈল (رفقا بنت بتوائيل )-এর সাথে। কিন্তু তিনিও বন্ধ্যা ছিলেন। পরে ইবরাহীমের খাছ দো‘আর বরকতে তিনি সন্তান লাভ করেন এবং তাঁর গর্ভে ঈছ ও ইয়াকূব নামে পরপর দু’টি পুত্র সন্তান জন্ম লাভ করে। 

তার মধ্যে ইয়াকূব নবী হন। পরে ইয়াকূবের বংশধর হিসাবে বনু ইস্রাঈলের হাযার হাযার নবী পৃথিবীকে তাওহীদের আলোকে আলোকিত করেন। কিন্তু ইহুদী নেতাদের হঠকারিতার কারণে তারা আল্লাহর গযবে পতিত হয় এবং অভিশপ্ত জাতি হিসাবে নিন্দিত হয়। যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

ইসহাক্ব (আঃ) ১৮০ বছর বয়স পান। তিনি কেন‘আনে মৃত্যুবরণ করেন এবং পুত্র ঈছ ও ইয়াকূবের মাধ্যমে হেবরনে পিতা ইবরাহীমের কবরের পাশে সমাহিত হন। স্থানটি এখন ‘আল-খালীল’ নামে পরিচিত’।

উল্লেখ্য যে, হযরত ইসহাক্ব (আঃ) সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের ১৪টি সূরায় ৩৪টি আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।


যথাক্রমে সূরা বাক্বারাহ ২/১৩২, ১৩৩, ১৩৬, ১৪০; আলে ইমরান ৩/৮৪; নিসা ৪/১৬৩; আন‘আম ৬/৮৪; হূদ ১১/৭১-৭৩; ইউসুফ ১২/৬; ইবরাহীম ১৪/৩৯; হিজর ১৫/৫১-৫৬=৭; মারিয়াম ১৯/৪৯-৫০; আম্বিয়া ২১/৭২-৭৩; আনকাবূত ২৯/২৭; ছাফফাত ৩৭/১১৩; ছোয়াদ ৩৮/৪৫-৪৭; যারিয়াত ৫১/২৪-৩০=৭। সর্বমোট =৩৪টি \ 

হযরত ইয়াকূব (আ:) | Prophet Yaqub | Nhrepon.com

হযরত ইয়াকূব (আলাইহিস সালাম)



ইসহাক্ব (আঃ)-এর দুই যমজ পুত্র ঈছ ও ইয়াকূব-এর মধ্যে ছোট ছেলে ইয়াকূব নবী হন। ইয়াকূবের অপর নাম ছিল ‘ইস্রাঈল’। যার অর্থ আল্লাহর দাস। নবীগণের মধ্যে কেবল ইয়াকূব ও মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর দু’টি করে নাম ছিল। মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর অপর নাম ছিল ‘আহমাদ’ (ছফ ৬১/৬)।
ইয়াকূব তার মামুর বাড়ী ইরাকের হারান (حران) যাবার পথে রাত হয়ে গেলে কেন‘আনের অদূরে একস্থানে একটি পাথরের উপরে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েন।
সে অবস্থায় স্বপ্ন দেখেন যে, একদল ফেরেশতা সেখান থেকে আসমানে উঠানামা করছে।
এরি মধ্যে আল্লাহ তাকে উদ্দেশ্য করে বলছেন,


إنى سأبارك عليك واكثر ذريتك واجعل لك هذه الأرض ولعقبك من بعدك-


‘অতিসত্ত্বর আমি তোমার উপরে বরকত নাযিল করব, তোমার সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করে দেব, তোমাকে ও তোমার পরে তোমার উত্তরসূরীদের এই মাটির মালিক করে দেব’। তিনি ঘুম থেকে উঠে খুশী মনে মানত করলেন, যদি নিরাপদে নিজ পরিবারের কাছে ফিরে আসতে পারেন, তাহ’লে এই স্থানে তিনি একটি ইবাদতখানা প্রতিষ্ঠা করবেন এবং আল্লাহ তাকে যা রূযী দেবেন তার এক দশমাংশ আল্লাহর পথে ব্যয় করবেন’।

অতঃপর তিনি ঐ স্থানে পাথরটির উপরে একটি চিহ্ন এঁকে দিলেন যাতে তিনি ফিরে এসে সেটাকে চিনতে পারেন। তিনি স্থানটির নাম রাখলেন, بيت إيل অর্থাৎ আল্লাহর ঘর। 

এই স্থানেই বর্তমানে ‘বায়তুল মুক্বাদ্দাস’ অবস্থিত, যা পরবর্তীতে প্রায় ১০০০ বছর পরে হযরত সুলায়মান (আঃ) পুনর্নির্মাণ করেন। মূলতঃ এটিই ছিল ‘বায়তুল মুক্বাদ্দাসের’ মূল ভিত্তি ভূমি, যা কা‘বা গৃহের চল্লিশ বছর পরে ফেরেশতাদের দ্বারা কিংবা আদম পুত্রদের হাতে কিংবা ইসহাক্ব (আঃ) কর্তৃক নির্মিত হয়।
নিশ্চিহ্ন হওয়ার কারণে আল্লাহ ইয়াকূব (আঃ)-কে স্বপ্নে দেখান এবং তাঁর হাতে সেখানে পুনরায় ইবাদতখানা তৈরী হয়।



ইস্রাঈলী বর্ণনা অনুযায়ী ইয়াকূব হারানে মামুর বাড়ীতে গিয়ে সেখানে তিনি তার মামাতো বোন ‘লাইয়া’ (ليّا) ও পরে ‘রাহীল’ (راحيل )-কে বিবাহ করেন এবং দু’জনের মোহরানা অনুযায়ী ৭+৭=১৪ বছর মামুর বাড়ীতে দুম্বা চরান। ইবরাহীমী শরী‘আতে দু’বোন একত্রে বিবাহ করা জায়েয ছিল।

পরে মূসা (আঃ)-এর শরী‘আতে এটা নিষিদ্ধ করা হয়। শেষোক্ত স্ত্রীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন বিশ্বসেরা সুন্দর পুরুষ ‘ইউসুফ’। অতঃপর দ্বিতীয় পুত্র বেনিয়ামীনের জন্মের পরেই তিনি মারা যান।

তাঁর কবর বেথেলহামে (بيت لحم) অবস্থিত এবং ‘ক্ববরে রাহীল’ নামে পরিচিত। পরে তিনি আরেক শ্যালিকাকে বিবাহ করেন। ইয়াকূবের ১২ পুত্রের মধ্যে ইউসুফ নবী হন। প্রথমা স্ত্রীর পুত্র লাভী (لاوى) -এর পঞ্চম অধঃস্তন পুরুষ মূসা ও হারূণ নবী হন। এভাবে ইয়াকূব (আঃ)-এর বংশেই নবীদের সিলসিলা জারি হয়ে যায়।

ইয়াকূব-এর অপর নাম ‘ইসরাঈল’ অনুযায়ী তাঁর বংশধরগণ ‘বনু ইস্রাঈল’ নামে পরিচিত হয়। হঠকারী ইহুদী-নাছারাগণ যাতে তারা ‘আল্লাহর দাস’ একথা বারবার স্মরণ করে, সেকারণ আল্লাহ পবিত্র কুরআনে তাদেরকে ‘বনু ইস্রাঈল’ বলেই স্মরণ করেছেন।



হারান থেকে ২০ বছর পর ইয়াকূব তাঁর স্ত্রী-পরিজন সহ জন্মস্থান ‘হেবরনে’ ফিরে আসেন। যেখানে তাঁর দাদা ইবরাহীম ও পিতা ইসহাক্ব বসবাস করতেন। যা বর্তমানে ‘আল-খলীল’ নামে পরিচিত। পূর্বের মানত অনুসারে তিনি যথাস্থানে বায়তুল মুক্বাদ্দাস মসজিদ নির্মাণ করেন (ঐ)।



কেন‘আন-ফিলিস্তীন তথা শাম এলাকাতেই তাঁর নবুঅতের মিশন সীমায়িত থাকে। ইউসুফ কেন্দ্রিক তাঁর জীবনের বিশেষ ঘটনাবলী ইউসুফ (আঃ)-এর জীবনীতে আলোচিত হবে। তিনি ১৪৭ বছর বয়সে মিসরে মৃত্যুবরণ করেন এবং হেবরনে পিতা ইসহাক (আঃ)-এর কবরের পাশে সমাধিস্থ হন।



উল্লেখ্য যে, হযরত ইয়াকূব (আঃ) সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের ১০টি সূরায় ৫৭টি আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।


ইয়াকূবের অছিয়ত:

কেন‘আন থেকে মিসরে আসার ১৭ বছর পর মতান্তরে ২৩ বছরের অধিক কাল পরে ইয়াকূবের মৃত্যু ঘনিয়ে এলে তিনি সন্তানদের কাছে ডেকে অছিয়ত করেন। সে অছিয়তটির মর্ম আল্লাহ নিজ যবানীতে বলেন, 

وَوَصَّى بِهَا إِبْرَاهِيْمُ بَنِيْهِ وَيَعْقُوْبُ يَا بَنِيَّ إِنَّ اللهَ اصْطَفَى لَكُمُ الدِّيْنَ فَلاَ تَمُوْتُنَّ إَلاَّ وَأَنتُمْ مُّسْلِمُوْنَ - أَمْ كُنتُمْ شُهَدَآءَ إِذْ حَضَرَ يَعْقُوْبَ الْمَوْتُ إِذْ قَالَ لِبَنِيْهِ مَا تَعْبُدُوْنَ مِن بَعْدِي قَالُواْ نَعْبُدُ إِلَـهَكَ وَإِلَـهَ آبَائِكَ إِبْرَاهِيْمَ وَإِسْمَاعِيْلَ وَإِسْحَاقَ إِلَـهاً وَّاحِداً وَّنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُوْنَ- (البقرة ১৩৩)


‘এরই অছিয়ত করেছিল ইবরাহীম তার সন্তানদের এবং ইয়াকূবও যে, হে আমার সন্তানগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য দ্বীনকে মনোনীত করেছেন। অতএব তোমরা অবশ্যই মুসলিম না হয়ে মরো না’ (বাক্বারাহ ১৩২)। ‘তোমরা কি তখন উপস্থিত ছিলে, যখন ইয়াকূবের মৃত্যু ঘনিয়ে আসে? যখন সে সন্তানদের বলল, আমার পরে তোমরা কার ইবাদত করবে? তারা বলল, আমরা আপনার উপাস্য এবং আপনার পিতৃপুরুষ ইবরাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাক্বের উপাস্যের ইবাদত করব- যিনি একক উপাস্য এবং আমরা সবাই তাঁর প্রতি সমর্পিত’ (বাক্বারাহ ২/১৩৩)। 



শুরুতে বলা হয়েছে ‘এরই অছিয়ত করেছিলেন ইবরাহীম। কিন্তু সেটা কি ছিল? আল্লাহ বলেন, 



إِذْ قَالَ لَهُ رَبُّهُ أَسْلِمْ قَالَ أَسْلَمْتُ لِرَبِّ الْعَالَمِيْنَ- (البقرة ১৩১)- 



‘স্মরণ কর যখন তাকে তার পালনকর্তা বললেন, আত্মসমর্পণ কর। সে বলল, আমি বিশ্বপালকের প্রতি আত্মসমর্পণ করলাম’ (বাক্বারাহ ২/১৩১)। অর্থাৎ ইবরাহীমের অছিয়ত ছিল তাঁর সন্তানদের প্রতি ইসলামের। তাঁর পৌত্র ইয়াকূবেরও অছিয়ত ছিল স্বীয় সন্তানদের প্রতি ইসলামের। এজন্য ইবরাহীম তার অনুসারীদের নাম রেখেছিলেন- ‘মুসলিম’ বা আত্মসমর্পিত (হজ্জ ২২/৭৮)।
ইবরাহীম তাঁর অপর প্রার্থনায় মুসলিম-এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন এভাবে فَمَن تَبِعَنِي فَإِنَّهُ مِنِّي وَمَنْ عَصَانِي فَإِنَّكَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ، ‘যে ব্যক্তি আমার অনুসরণ করল, সে ব্যক্তি আমার দলভুক্ত। কিন্তু যে ব্যক্তি আমার অবাধ্যতা করল, তার বিষয়ে আল্লাহ তুমি ক্ষমাশীল ও দয়াবান’ (ইবরাহীম ১৪/৩৬)। 



বুঝা গেল যে, ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকূব প্রমুখ নবীগণের ধর্ম ছিল ‘ইসলাম’। তাদের মূল দাওয়াত ছিল তাওহীদ তথা আল্লাহর ইবাদতে একত্ব। শুধুমাত্র আল্লাহর স্বীকৃতির মধ্যে তা সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং তাঁর বিধানের প্রতি আনুগত্য ও আত্মসমর্পণের মধ্যেই তার যথার্থতা নিহিত ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে তাদের অনুসারী হবার দাবীদার ইহুদী-নাছারাগণ তাদের নবীগণের সেই অছিয়ত ভুলে যায় এবং অবাধ্যতা, যিদ ও হঠকারিতার চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছে গিয়ে তারা আল্লাহর অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট (المغضوب والضآلين) জাতিতে পরিণত হয়। [4] 



ইবরাহীম ও ইয়াকূবের অছিয়তে এটা প্রমাণিত হয় যে, সন্তানের জন্য দুনিয়াবী ধন-সম্পদ রেখে যাওয়ার চাইতে তাদেরকে ঈমানী সম্পদে সম্পদশালী হওয়ার অছিয়ত করে যাওয়াই হ’ল দূরদর্শী পিতার প্রধানতম দায়িত্ব ও কর্তব্য। 


Disavow link | remove bad backlinks | Nhrepon.com

Disavow link

Disavow meaning :- Disavow এর অর্থ হলো ‘অস্বীকার করা, মানিয়া না লওয়া’

 Disavow links:- (bad backlinksহচ্ছে স্প্যামিং বা প্রতারনা করা। এটা সাধারণত করা হয় প্রতিযোগীকে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজের র‌্যাংক থেকে সরানোর জন্য। যে কোন ব্যাক্তি তার নিজের কিংবা নিজের আওতাধীন কোন ওয়েব পেজ কে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজে সবার উপরে দেখাতে চায়। কিন্তু অনেকেই যখন অনেক চেষ্টা করেও সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে সবার উপরে বা প্রথম পেজে জায়গা করতে পারে না তখন সে তার প্রতিযোগিকে বিড করার জন্য এই ধরনের প্রতারনার আশ্রয় নেয়। বিভিন্ন আজে-বাজে সাইট থেকে তার প্রতিযোগিকে ব্যাকলিং প্রদান করা শুরু করে। এক পর্যায়ে সার্চ ইঞ্জিন যখন ঐ সাইটকে ইনডেক্স করে তখন স্প্যামিং সাইট হতে পাওয়া ব্যাকলিং গুলো দেখে সেই পেজ বা সাইটটিকে র‌্যাংক থেকে সরিয়ে দেয় বা পিছনে পেলে দেয়। আর স্প্যামার এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে সবার উপরে বা প্রথম পেজের মধ্যে জায়গা করে নেয়।




what does disavowed mean

google disavow links

backlink removal tool

remove bad backlinks

disavow list

disavow tool

disavow definition

define disavow

google webmaster tools disavow links

disavow file

webmaster disavow

disavow url

how to disavow links

google penalty

disavow seo

remove backlinks

how to create disavow file

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল | imf | international monetary fund | Nhrepon.com

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল



IMF এর পূর্ণ  রূপ  International Monetary Fund

১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ব্রেটন উড্স সম্মেলনে স্বাক্ষরিত চুক্তির ভিত্তিতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু হয় ১৯৪৭ সালের ১লা মার্চ।

বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৮টি দেশ। সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। এ সংস্থার নির্বাহী প্রধানের পদবি ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

আর্থিক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসারের জন্য সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করা, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্থিতিশীল বিনিময় ব্যবস্থা গড়ে তোলা, ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমস্যা সমাধানের জন্য আর্থিক সাহায্য প্রদান করা এবং কারিগরি সাহায্য প্রদানের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন করা এ সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ।

এর সাংগঠনিক কাঠামো গঠিত পরিচালক পর্ষদ, কার্যনিবাহী পরিচালকমণ্ডলী, প্রধান পরিচালক ও সচিবালয় নিয়ে। বর্তমানে IMF  এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে রয়েছেন, ফ্রান্সের ক্রিস্তিন লাগার্দ (৫ জুলাই ২০১১ থেকে বর্তমান)

This is a short note on IMF.

WMF: World Monetary Fund






দাইউস (dayus) কাকে বলে? দাইউস এর পরিণতি কি ?

দাইউস

(dayus) 


দাইউসঃ-  দাইউস হলো সে ব্যক্তি যে কিনা তার পরিবার পরিজনকে সঠিক রাস্তায় পরিচালনা করেন না এবং পরিবার পরিজন সঠিক ভাবে না চললেও ভালো মনে করেন বা প্রতিবাদ করেন না। যে ব্যক্তি তার স্ত্রী-সন্তানদের বেপর্দা বেহায়াপনা ও অশ্লীলতার সুযোগ দেয় তাকেও দাইউস বলা হয়।


 রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন যে, “আল্লাহ তিন ব্যক্তির জন্য জান্নাত হারাম করেছেন। মাদকাসক্ত, পিতা-মাতার অবাধ্য এবং দাইউস, যে তার পরিবারের মধ্যে ব্যভিচারকে প্রশ্রয় দেয়” (মুসনাদে আহমাদ: ২/৬৯)


 কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমরা নিজেরা জাহান্নাম থেকে আত্মরক্ষা কর এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা কর। যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর; যার উপর নিয়োজিত রয়েছেন কঠোর হৃদয় সম্পন্ন ফিরিশতাগণ, তারা আল্লাহ যা নির্দেশ করেন তা বাস্তবায়নে অবাধ্য হোন না, আর তাদের যা নির্দেশ প্রদান করা হয়, তা-ই তামিল করে’’।
( সূরা আত-তাহরীম: ৬)


 রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেছেন : ‘দাইউস ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) দাইউস কে? উত্তরে রাসুলূল্লাহ (সাঃ) বললেন, ‘যে ব্যক্তি তার পরিবারে আল্লাহ্‌র আদেশ-নিষেধ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোন তৎপরতা অবলম্বন করে না বরং উপেক্ষা করে চলে।’ অন্য বর্ণনায় এসেছে যে, ‘দাইউস হল সে, যে তার পরিবারে বেহায়পনার বাস্তবায়নে সন্তষ্ট ও পরিতুষ্ট।’ (আহমদ)


 রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার দায়িত্বাধীনদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে, রাষ্ট্রনেতা তার প্রজাদের সম্পর্কে দায়িত্বশীল আর তাকে তাদের পরিচালনার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। 

একজন পুরুষ লোক তার পরিবারের ব্যাপারে দায়িত্বশীল, তাকে তাদের পরিচালনার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একজন মহিলা তার স্বামীর ঘরের সার্বিক ব্যাপারে দায়িত্বশীলা, তাকে সেটার পরিচালনার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। 

একজন পরিচারক তার মালিকের সম্পদের সংরক্ষক, আর তাকে সেটার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এক কথায় তোমরা সবাই দায়িত্বশীল আর সবাই জিজ্ঞাসিত হবে সে দায়িত্ব সম্পর্কে”। (বুখারী : ৭১৩৮; মুসলিম: ১৭০৫)





আদর্শ ছেলে | Adorsho chele - amader deshe hobe sei chele kobe | Nhrepon.com




আদর্শ ছেলে 

কুসুমকুমারী দাশ

আমাদের দেশে সেই ছেলে কবে হবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে?
মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন
'মানুষ হইতে হবে'- এই তার পণ।

বিপদ আসিলে কাছে হও আগুয়ান
নাই কি শরীরে তব রক্ত, মাংস, প্রাণ?
হাত পা সবারই আছে, মিছে কেন ভয়?
চেতনা রয়েছে যার, সে কি পড়ে রয়?

সে ছেলে কে চাই বল, কথায় কথায়
আসে যার চোখে জল, মাথা ঘুরে যায়?
মনে প্রাণে খাট সবে, শক্তি কর দান,
তোমরা 'মানুষ' হলে দেশের কল্যাণ।










নবীর শিক্ষা | nobir shikkha | bangla kobita | nhrepon.com

নবীর শিক্ষা

শেখ হাবিবুর রহমান


তিন দিন হ'তে খাইতে না পাইনাই কিছু মোরে ঘরে,
সারা পরিবার বাড়িতে আমার উপোস করিয়া মরে।
নাহি পাই কাজ তাই ত্যাজি লাজ বেড়াই ভিক্ষা করি,
হে দয়াল নবীদাও কিছু মোরে নহিলে পরাণে মরি।


আরবের নবীকরুণার ছবি ভিখারির পানে চাহি,
কোমল কণ্ঠে কহিল, -'তোমার ঘরে কি কিছুই নাহি?
বলিল সে, 'আছে শুধু মোর কম্বল একখানি।'
কহিল রসুল, 'এক্ষণি গিয়া দাও তাহা মোরে আনি।'


সম্বল তার কম্বলখানি বেচিয়া তাহার করে,
অর্ধেক দাম দিলেন রসুল খাদ্য কেনার তরে,
বাকি টাকা দিয়া কিনিয়া কুঠারহাতল লাগায়ে নিজে,
কহিলেন, 'যাও কাঠ কেটে খাওদেখ খোদা করে কি-যে।'


সেদিন হইতে শ্রম সাধনায় ঢালিল ভিখারি প্রাণ,
বনের কাষ্ঠ বাজারে বেচিয়া দিন করে গুজরান।
অভাব তাহার রহিল না আরহইল সে সুখী ভবে,


নবীর শিক্ষা ক'রো না ভিক্ষা, মেহনত কর সবে।



যে প্রেম বিশ্ব জয় করতে জানে | nhrepon.com

যে প্রেম বিশ্ব জয় করতে জানে


মিশরের "লিমান তুররা" কারা হাসপাতালের চৌদ্দ শিকের দুইপাশে দাঁড়িয়ে বিয়ে হয়েছিলো দুজনের। বর একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামী। অপরাধ অন্য কিছু নয়, মিশরের ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া। ১৯৫৪ সালে যাঁকে গ্রেফতার করে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে কিছুদিন পর ফাঁসি বাতিল করে যাবজ্জীবন দেয়া হয়। কনে খুব ভালো করেই জানতেন এখানে যাবজ্জীবন মানে ২৫ বছরের আগে মুক্তির কোনো সম্ভাবনা নেই। কারান্তরীণ ছেলের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পর অনেক ভেবে তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্তের দিকে অগ্রসর হন।

বিয়ের কয়েকদিন পরের ঘটনা। সদ্য বিবাহিত এই যুবককে অমানবিক নির্যাতন করে "ক্বানা" নামক অন্য একটি কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হলো। এই "ক্বানা" কারাগারটি ছিলো রাজধানী কায়রো থেকে অনেক দূরের একটা জায়গা। যুবকের নবপরিণীতা বধু ননদকে সঙ্গে করে সেই কারাগারে স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। পথিমধ্যে অনেক ভোগান্তি সহ্য করতে হলো দুজনকে। যুবকের বোন ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলা শেষ করে ভাবিকে একান্তে কথা বলার সুযোগ করে দিলেন। যুবক তাঁর বধু ও বোনের পথিমধ্যে ভোগান্তির কথা জেনেছিলেন। তিনি অত্যন্ত আবেগ তাড়িত কণ্ঠে স্ত্রীকে বললেন, "দেখো, আমি আশাবাদী ছিলাম খুব অল্প দিনের মধ্যে হয়তো বের হতে পারবো। কিন্তু সেই সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ দেখতে পাচ্ছি। প্রেসিডেন্ট জামাল নাসের আমাদেরকে অফার করেছে, তাকে সাহায্য করলে সে আমাদের সসম্মানে মুক্তি দিয়ে দিবে। কিন্তু আমি বলে দিয়েছি, আমাকে কেটে টুকরো টুকরো করে ফেললেও আমি তার অন্যায় প্রস্তাবে রাজি হবো না। প্রিয়তমা, আমি তোমাকে একটা অনুরোধ করি। আমার কারাগার থেকে মুক্তি পেতে হয়তো আরও অন্তত দুই দশক লেগে যাবে। তোমার এতো কষ্ট আমি আর সহ্য করতে পারছি না। আমার জন্য তোমার সুন্দর জীবনটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বরং তুমি এমন কাউকে বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করো যে তোমার পাশে সবসময় থাকতে পারবে। তোমার জীবনটাকে সুখে আনন্দে ভরিয়ে তুলতে পারবে।"

স্ত্রী স্বামীর কথা শুনলেন। কিন্তু তিনি কিছু বলার আগেই কারারক্ষীরা কারার লৌহকপাট বন্ধ করে দিলো। তিনি বাড়ি ফিরে গিয়ে স্বামীকে উদ্দেশ্য করে একটি কবিতা লিখলেন। যার কিয়দংশ ছিলো এরকম,
"নিরন্তর পথ চেয়ে বসে আছি,
শুধু তোমার জন্য।
নাহয় সে পথ হোক জিহাদের।
লাল পথ ধরে পায়ে পায়ে
যাই চলো জান্নাতের দ্বারে।
সেই ওয়াদার খাতিরে,
ভয় কি?
লজ্জা কি?
কিসের বা বেদনা আমার?"

অবশেষে প্রায় ২০ বছর পর ১৯৭৩ সালে সেই যুবক মুক্তি পেলেন। ততদিনে বার্ধক্য এসে ভীড় করেছে। বিয়ের ২০ বছর পর প্রথমবারের মতো মুক্ত পৃথিবীতে প্রিয়তমা স্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলো। আল্লাহর দ্বীনকে ভালোবেসে জীবনের সবচেয়ে স্বর্ণ সময়গুলো পরস্পর বিচ্ছিন্ন থেকে যে দম্পতি ঈমানের এক অনন্যসাধারণ নজীর স্থাপন করলেন, মহাকালও হয়তো সেটা টুকে রাখলো। নীলনদের তীরে হয়তো বিশাল কোনো ঢেউ আঁচড়ে পড়ে সম্মান জানাতে চাইলো এ মজলুম দম্পতিকে। কায়রো শহরের পাখিগুলো হয়তো একবার কিচির মিচির ধ্বনি তুলে প্রকাশ করতে চাইলো তাদের আনন্দের কল্লোলিত বার্তা।

১৯৮১ সালের এক সন্ধ্যা। রাব্বুল আলামীন তাঁর প্রিয়তম এই বান্দা-বান্দীকে আরেকটু পরীক্ষা করে ঈমানের চুড়ান্ত মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ করে নিতে চাইলেন বোধহয়। মিশরের ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম এ সিপাহসালারকে পুনরায় গ্রেফতার করা হলো। সম্পূর্ণ মিথ্যে এবং ভিত্তিহীন অভিযোগে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে শাহাদাৎ বরণ করানো হলো। শহীদের সম্মানিতা স্ত্রী এবার চিরদিনের মতো নিঃসঙ্গ হয়ে গেলেন। ১৯৮১ সালের ৬ নভেম্বর ভোরবেলা যে চুড়ান্ত নিঃসঙ্গ জীবনের যাত্রা শুরু হয়েছিলো, ২০০৭ সালের ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তার পরিসমাপ্তি ঘটলো। পরিসমাপ্তি ঘটলো একটি অনবদ্য অধ্যায়ের। এই মহীয়সী নারীর নাম আমিনা কুতুব। মিশরের ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষনেতা সাইয়্যেদ কুতুব শহীদ (রহঃ) এর ছোটবোন। তাঁর স্বামী ইখওয়ানের অন্যতম নেতা শহীদ কামাল আল সানানিরী। আল্লাহকে যাঁরা সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসতে পেরেছে, তাদের গল্পগুলো তো এমনই হবে। জাগতিক সব চাওয়া পাওয়ার হিসেব নিকেষ আর ঠুনকো স্বার্থবাদী চিন্তাধারা তাদের পদতলে এসে লুটিয়ে পড়ে আর্তনাদ করে ফিরবে বারবার। আর আল্লাহর পথের সেনানীরা তার উপরে দাঁড়িয়ে উচ্চারণ করে যাবেন, "সত্য সমাগত, মিথ্যা অপসৃত। আর মিথ্যা তো অপসৃত হবার জন্যই।" [সূরা বনী ইসরাইল-৮১]

"যে জীবন সাহসের আগ্নেয়গিরি"/ মু. লাবিব আহসান







collected from internet

পল্লি কবি জসীম উদ্দীন | Nhrepon.com

পল্লি কবি জসীম উদ্দীন

একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক।


Polli-kobi-josim-uddin



জন্ম: ১ জানুয়ারি ১৯০৩ খ্রী:

মৃত্যু: ১৩ মার্চ ১৯৭৬ খ্রী:

পূর্ণনাম: মোহাম্মাদ জসীম উদ্দীন মোল্লা।

জন্মস্থান: ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।

বাবার নাম: আনসার উদ্দীন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন।

মায়ের নাম: আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট।

পারিবারিক পরিচিতি: তার বাবার বাড়ি ফরিদপুর জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে।

শিক্ষা জীবন: জসীম উদ্দীন ফরিদপুর ওয়েলফার স্কুল ও পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলা স্কুলে পড়াশুনা করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৯ সালে বি.এ এবং ১৯৩১ সালে এম.এ শেষ করেন।

উল্লেখযোগ্য রচনাবলি: নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট।

উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার


কাব্যগ্রন্থ:
রাখালী (১৯২৭
নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯)
বালুচর (১৯৩০)
ধানখেত (১৯৩৩)
সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪)
হাসু (১৯৩৮)
রুপবতি (১৯৪৬)
মাটির কান্না (১৯৫১)
এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬)
সকিনা (১৯৫৯)
সুচয়নী (১৯৬১)
ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২)
মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩)
হলুদ বরণী (১৯৬৬)
জলে লেখন (১৯৬৯)
পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯)
কাফনের মিছিল (১৯৭৮)
মহরম
দুমুখো চাঁদ পাহাড়ি (১৯৮৭)


নাটক:
পদ্মাপার (১৯৫০)
বেদের মেয়ে (১৯৫১)
মধুমালা (১৯৫১)
পল্লীবধূ (১৯৫৬)
গ্রামের মেয়ে (১৯৫৯)
ওগো পুস্পধনু (১৯৬৮)
আসমান সিংহ (১৯৮৬)


আত্মকথা:
যাদের দেখেছি ((১৯৫১)
ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১)
জীবন কথা ( ১৯৬৪)
স্মৃতিপট (১৯৬৪)
স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮)


উপন্যাস:
বোবা কাহিনী (১৯৬৪)
ভ্রমণ কাহিনী:
চলে মুসাফির (১৯৫২)
হলদে পরির দেশে ( ১৯৬৭)
যে দেশে মানুষ বড় (১৯৬৮)
জার্মানীর শহরে বন্দরে (১৯৭৫)


সঙ্গীত:
রঙিলা নায়ের মাঝি (১৯৩৫)
গাঙের পাড় (১৯৬৪)
জারি গান (১৯৬৮)
মুর্শিদী গান (১৯৭৭)








collected form wikipedia

SEO | Search Engine Optimization | Nhrepon.com

What is SEO?

In short: SEO mean Search Engine Optimization.


Search-Engine-Optimizaton


In details: The process of maximizing the number of visitors to a particular website by ensuring that the site appears high on the list of results returned by a search engine.



"the key to getting more traffic lies in integrating content with search engine optimization and social media marketing"



Search Engine Optimization (SEO) is the process of increasing the quality and quantity of website traffic, increasing visibility of a website or a web page to users of a web search engine.

SEO may target different kinds of search, including image search, video search, academic search, news search and industry-specific vertical search engines.

Optimizing a website may invole editing its content, adding content, modifying HTML, and associated coding to both increase its relevance to specific keywords and to remove barriers to the indexing activities of search engines. Promoting a site to increase the number of backlinks or inbound links is another SEO tactic.

On page SEO: 

On page seo is to be Proper coding for a site, Ensure content quality, Optimize title tag, Image and img tag, H tag, Meta tag, Robots.txt setting, Submit on search engine for indexing, Overall eye catching and user friendly content optimization.

Off page SEO: