Showing posts with label Blog. Show all posts
Showing posts with label Blog. Show all posts

কোন ধরনের মানুষদের পাত্তা দেওয়া উচিত নয়, এবং কেন?

 


  1. যারা সবজান্তা,তাদেরকে পাত্তা দেওয়া উচিত নয়।
  2. যারা অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনে না কিন্তু নিজের কথা আনমনে বলতেই থাকেন,তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়।
  3. যারা যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারেনা,তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়।
  4. যাদের মননে অহংকার রয়েছে,তাদেরকে পাত্তা দেওয়া উচিত নয়।
  5. যারা নিজেকে সর্বেসর্বা এবং অত্যন্ত জ্ঞানী মনে করেন, তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়।
  6. যারা অন্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করেন,তাদের পাত্তা দেওয়া উচিত নয়।
  7. যারা কুটনামি করেন,তাদেরকে পাত্তা দেওয়া উচিত নয়।
  8. যারা কথায় কথায় গালাগাল ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করে কথা বলেন- তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়।
  9. যারা মন মানসিকতায় হীনমন্য এবং সংকীর্ণ- তাদেরকে পাত্তা দেওয়া উচিত নয়।
  10. যারা খুঁতখুঁতে এবং অতিরিক্ত সন্দেহবাদী- তাদেরকে পাত্তা দেওয়া উচিত নয়।
  11. যারা মানুষের কথার ভেতর কথা বলেন,কথার মধ্যে যারা বাম হাত ঢুকিয়ে দেন- তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়।
  12. যারা চাটুকারীতা এবং তেলবাজির আশ্রয় নিয়ে অন্যের মন জয় করতে চান,তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়।
  13. যাদের মধ্যে নূন্যতম কার্টেসি নেই,তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়।
  14. যাদেরকে পাত্তা দিলে যারা পাত্তা সহ্য করতে পারেনা,উল্টো আরো অহংকারী হয়ে ওঠে- তাদের কখনোই পাত্তা দেওয়া উচিত নয়।
  15. যারা আপনার স্বাধীন পথ চলার জন্য ক্ষতিকর,যারা আপনার চলার পথকে অমসৃণ করে দিতে চায়,তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়।
  16. যারা অন্যের মতামতকে সহ্য করতে পারে না,যারা সর্বদা নিজের স্বার্থ ছাড়া আপনার সাথে মিশে না,তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়।
  17. যারা মিথ্যা এবং ছলনার আশ্রয় নিয়ে টিকে আছে,যারা তোষামোদির উপর ভর করে টিকে আছে,তাদেরকে পাত্তা দেওয়া উচিত নয়।

কেন?

  • যারা পাত্তা ডিজার্ভ করে না,তাদেরকে পাত্তা দেয়া যে কারো জন্য অপমানজনক এবং অসম্মানজনক বলেই মনে করি।
  • ভুল মানুষকে পাত্তা দিলে আপনার জীবন বিষিয়ে উঠতে পারে;আপনি মানসিকভাবে হতাশ হয়ে যাবেন।
  • ভুল মানুষকে পাত্তা দিলে সে পাত্তার অপব্যবহার করে বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে।সে তার অহংকার মনকে আরও উসকে দিতে পারে।
  • পাত্তা দেয়া-নেয়া একটি যৌথ প্রক্রিয়া।একপাক্ষিক পাত্তা মানেই হল নিজের ব্যক্তিত্বকে অন্যের কাছে ইজারা দেয়া।
  • কাউকে অসামঞ্জস্যভাবে পাত্তা দেয়া ব্যক্তিত্বহীনতার বহিঃপ্রকাশ।
  • সমাজের সকলে পাত্তা পাওয়ার যোগ্য নয়।ভুল পাত্রে পাত্তা দিলে সেটি নিজের জন্য মনস্তাত্ত্বিকভাবে ক্ষতিকর।

মেয়েদের প্যান্টিতে কেন থাকে ছোট পকেটের মত অংশ?

 

নারীদের প্যান্টিতে থাকে ছোট্ট একটি অংশ, যা অনেকটাই পকেটের মত দেখতে। এই ছোট্ট পকেটের মতো অংশটিকে বলা হয় ‘গাসেট’। কিন্তু অন্তর্বাসে কেন থাকে এই অংশ?

মহিলারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে মেয়েদের অন্তর্বাসের ভিতরে একটি ছোট পকেট থাকে। তাদের অন্তর্বাসের ভিতরে তৈরি করা হয় এই পকেট। অনেকেই মনে করেন মহিলাদের অন্তর্বাসে পকেটের ব্যবহার কী। আসুন এর কারণটা জেনে নেওয়া যাক।

ডিজাইন ও স্টাইল ছাড়াও মানুষের পরিধানের জন্য যে পোশাক তৈরি করা হয় তা আরাম ও পরিচ্ছন্নতার কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়। তাই আমাদের পোশাকে দেখা ছোট ছোট জিনিসের পেছনে অনেক কারণ লুকিয়ে থাকে, যা অনেক সময় আমরা জানি না। এমনই একটি পোশাক হল অন্তর্বাস।

১) মহিলারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে মেয়েদের অন্তর্বাসের ভিতরে একটি ছোট পকেট থাকে। তাদের অন্তর্বাসের ভিতরে তৈরি করা হয় এই পকেট। অনেকেই মনে করেন মহিলাদের অন্তর্বাসে পকেটের ব্যবহার কী। আসুন এর কারণটা জেনে নেওয়া যাক।

২) মহিলাদের গোপনাঙ্গ এমন একটি অংশ যেখানে খুব তাড়াতাড়ি সংক্রমণ হতে পারে। সেজন্য অন্তর্বাস এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে পরলে কোনও অস্বস্তি না হয় এবং তাদের স্বাস্থ্যের ওপর কোনও খারাপ প্রভাব না পড়ে। মহিলাদের অন্তর্বাসের গোপন পকেট আসলে পকেট হিসাবে কাজ করে না।
৩) অন্তর্বাসের নীচে একটি পৃথক কাপড় প্রয়োগ করা হয় যা আরও আর্দ্রতা শোষণ করে। প্রায়শই এই কাপড়টি তুলো দিয়ে তৈরি হয়। এই কারণে, গোপনাঙ্গ দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং শরীরের নীচের অংশে পর্যাপ্ত বাতাস পৌঁছায়, যা দাদ বা ত্বক সম্পর্কিত অন্য কোনও সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

৪) পুরুষদের অন্তর্বাসেও এমন কাপড় থাকে। এই কাপড় আর্দ্রতা শোষণ করে, যা সংক্রমণের ঝুঁকিও কমায়। অন্যদিকে সিনথেটিক দিয়ে তৈরি আন্ডারওয়্যার কাপড় ও ত্বকের মধ্যে ঘর্ষণ কমায় না, ফলে ক্ষত হওয়ার আশঙ্কা যেমন বাড়ে, তেমনি গোপনাঙ্গের আর্দ্রতাও দ্রুত নষ্ট হয় না, যা ত্বকের সমস্যার আশঙ্কা বাড়ায়।
৫) এমনকি এই অন্তর্বাসেও তুলার পকেটের মতো কাপড় প্রয়োগ করা হয়। পুরুষদের অন্তর্বাসেও কখনও কখনও পি-হোলের উপরে একটি আলাদা কাপড় থাকে, যা মহিলাদের অন্তর্বাসে তৈরি পকেট হিসাবে কাজ করে। এটি গোপনাঙ্গকে আরাম দেয় এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

মূলত নারী যৌনাঙ্গের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য প্যান্টিতে তৈরি করা হয় পকেটের মত অংশ গাসেট

গাসেটে-এর কাজ কী? অন্তর্বাসের বাকি অংশ নানা কৃত্রিম উপাদানে তৈরি হলেও এই গাসেট তৈরি হয় সুতি, তুলো কিংবা ভিতর দিয়ে সহজেই হাওয়া চলাচল করতে পারে, এমন ফ্যাব্রিক দিয়ে।

যৌনাঙ্গ ও পারিপার্শ্বিক অঞ্চলে ঘাম, আর্দ্রতা, অন্যান্য গ্রন্থির ক্ষরণ ও ময়লার মতো পদার্থ জমা খুব স্বাভাবিক। আর ময়লাতেই জন্ম নেয় ব্যাকটেরিয়া। প্যান্টিতে থাকা গাসেট-এর মত অংশ আর্দ্রতা শোষণ করে, বায়ু চলাচল করতে দেয়। ফলে, জীবাণুর সংক্রমণের আশঙ্কা অনেকটাই কমে।

যেহুতু গাসেট সবসময় সুতি, তুলো কিংবা ভিতর দিয়ে সহজেই হাওয়া চলাচল করতে পারে, এমন ফ্যাব্রিক দিয়ে তৈরি হয়, ফলে অন্তর্বাসের কৃত্রিম উপাদানের সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে যৌনাঙ্গে ক্ষত তৈরি হওয়ার ঝুঁকি কমে

সেক্সের জন্য বিখ্যাত দেশ কোনটি?

 



সেক্সের জন্য বিখ্যাত দেশগুলো সব ইউরোপ কান্ট্রিগুলো।

সেখানে ন্যুড সী বিচ আছে। সেসব সী বিচে লোকজন ন্যাংটা হয়ে ঘুরে বেড়ায়। কারো কিছু বলার নাই।

এখানে তাও কিছু পড়ে শুয়ে আছে। এমন অনেক সী বীচ আছে যেখানে লোকজন সম্পূর্ন ল্যাংটা হাটা হাটি করে।

ভিটামিন ডি নেয়ার জন্য সান বাথ করে, সেই সাথে এমনও আছে মেয়েটা ছেলেটার পেনিস ধরে মাস্টারবেট করে দিচ্ছে। "চুষে দিচ্ছে"। খুব বেশি উত্তেজিত থাকলে সেখানেই সবার সামনে সেক্স করতে থাকে।

লোকজন তাকিয়ে দেখেও না। যার যা খুশি সেটাই করে।

আমার এক দূরের সম্পর্কের কম বয়সী মামা সুইডেন প্রবাসী। উনার সাথে আমাদের বেশ ফ্রি সম্পর্ক।

ঢাকায় বেড়াতে আসলে তিনি সুইডেনের গল্প করে। তিনি ঘুরতে গিয়ে সমুদ্রপাড়ে এরকম ন্যাংটা কাপল অনেক দেখেছেন। প্রথম প্রথম তাকিয়ে অবাক হতেন কিন্তু এসব এত কমন সে সব দেশে যে, কেউ সী বীচে গেলে খোলা আকাশের নিচে ভিটামিন ডি নিতে নিতে সেক্স করবে না সেটাই লোকজন চিন্তা করতে পারে না।

শুধু উনার কাছে কেনো, ইউরোপের দেশগুলোতে যারা প্রবাসী তারাও জানে কতটা উন্মুক্ত সংস্কৃতি তাদের সেক্সের ব্যাপারে।

আমরা রক্ষনশীল সমাজে থাকি বিধায় আমাদের কাছে সে সব দেশের এসব কাজ অবাক করে কিন্তু তাদের কাছে এসব অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার।

একটু ইচ্ছে হলো পার্টনারের সাথে সেক্স শুরু করে দিলো। এমন কি সমকামীতাও সে সব দেশগুলোতে অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে। কেউ পুরুষ হয়েও নিজের বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরে, উন্মুক্ত সেক্স শুরু করে, আবার কেউ মেয়ে হয়েও গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরে।

সেই সব পশ্চিমা দেশে সেক্স ব্যাপারটা এতটাই স্বাভাবিক যে, আপনার ইচ্ছা হলো একজনের সাথে সেক্স করবেন। আপনি তাকে যদি বলেন, হায়, আমি কি আপনার সাথে রাত কাটাতে পারি বা আমি আপনার সাথে সেক্স করতে আগ্রহী। আপনি চাইলে আমরা একসাথে কিছুক্ষন থাকতে পারি। যদি রাজি থাকে তবে আপনি সাথে সাথে তাকে নিয়ে কোনো হোটেলে চলে যেতে পারেন।

এছাড়া প্রস্টিটিউট, হুকার, এসকোর্ট এসব তো দিনে দুপুরেই আপনাকে প্রপোজ করবে সেক্স করার জন্য। তাকে কিছু টাকা দিলেই হবে।

সে সব দেশে সেক্স ব্যাপারটা একদম ওপেন।

হোয়াটসঅ্যাপ-এর প্রায় সবগুলো ফিচার মেসেঞ্জারে থাকার পরেও হোয়াটসঅ্যাপ কেন এককভাবে এত জনপ্রিয়?

হোয়াটসঅ্যাপ-এর প্রায় সবগুলো ফিচার মেসেঞ্জারে থাকার পরেও হোয়াটসঅ্যাপ কেন এককভাবে এত জনপ্রিয়?


 ১. হোয়াটসঅ্যাপে অ্যাড নেই।

২. হোয়াটসঅ্যাপ ইউজ করতে ফেসবুক একাউন্ট দরকার হয় না। যে কোনো ফোন নম্বর দিয়ে খোলা যায়।

৩. কোয়ালিটিফুল ভিডিও এবং ক্লিয়ার অডিও কল।

৪. ছবি আদান প্রদান করলে সেটার সাইজ ঠিক থাকে, একদম ক্লিয়ার।

৫. চাইলেই যেকোনো কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপে হোয়াটসঅ্যাপ কানেক্ট করা যায় এবং কাজ শেষে এক ক্লিকে ডিসকানেক্ট করা যায়।

৬. হোয়াটসঅ্যাপে পিডিএফ,ডকস,জেপিজি, এক্সেল শীট ইত্যাদি শেয়ার করা যায়। মেসেন্জারে শুধু ছবি (জেপিজি) শেয়ার করা যায়।

৭. হোয়াটসঅ্যাপ অনেকটা স্মুথ এবং ফাস্ট যার ফলে দ্রুত চ্যাট করা যায়।

মেসেন্জারে এই ⤴️ সুবিধা গুলো নেই, এজন্যই হোয়াটসঅ্যাপ এত জনপ্রিয়।

তবে, টেলিগ্রাম ও কোনো অংশে কম নয়। টেলিগ্রামে একটা ম্যাসেজে ২ জিবি পর্যন্ত ফাইল শেয়ার করা যায়, আর হোয়াটসঅ্যাপে মাত্র ১০০ এমবি। 🙂

আচ্ছা, আমি মারা যাবার কতদিন পরে তুমি আরেকটা বিয়ে করবা?

 অসুস্থ বউ মারা যাবে জেনে সে তার জামাইকে জিজ্ঞেস করল, 'আচ্ছা, আমি মারা যাবার কতদিন পরে তুমি আরেকটা বিয়ে করবা?😒


জামাইও বলে দিলো যতদিন পর্যন্ত তোমার কবর একেবারে শুকিয়ে যাবেনা ততদিন পর্যন্ত।
কয়েকদিন পর বউ মারা গেলো।
প্রতিদিন জামাই তার বউয়ের কবর জিয়ারত করতে যেতো কিন্তু ভিজা মাটি এতদিন হয়ে যায় শুকায় না। জামাই ভাবছে এটা কিভাবে সম্ভব? 🤔

একদিন কবরের পাশ দিয়ে জামাই হেটে যাচ্ছিলো।
সে দেখলো তার শালাবাবু বোনের কবরের ঐখান থেকে আসছে। তার হাতে খালি একটা বালতি।
সে শালাকে প্রশ্ন করলো কিরে হাতে বালতি নিয়ে কি করিস?🤔
শালা বললো ''আমার বোন মারা যাবার আগে আমাকে বলে গেছিলো প্রতিদিন উনার কবরে পানি ঢালতে। এতে বুঝি আমার বোনটা কবরে শান্তি পাবে''। 😇

Moral of the story: "A wife will never share her Husband even after her death."💝

একজন স্ত্রী কখনোই তার স্বামীর ভাগ কাউকে দেন না; এমনকি তার মৃত্যুর পরেও না!

Quality আনতে চাইছেন ? আপনার People treatment কেমন ?

 


আমার কাছে কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের কোয়ালিটি কত ভাল বা খারাপ, সেটি বোঝার জন্য খুব সাধারণ একখানা মানদন্ড আছে । মান যাচাইয়ের এই মাপকাঠিখানা নিতান্তই আমার নিজস্ব । কারও সাথে নাও মিলতে পারে ।

সেটি হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি তার মানুষগুলোকে কিভাবে ট্রিট করছে । অর্থাৎ, কোম্পানীর People treatment কেমন ? কর্মীদের সাথে ব্যবহার কেমন ?ভাবছেন প্রোডাক্টের কোয়ালিটির সাথে People treatment এর সম্পর্কটা কি ? আছে, সম্পর্ক আছে । সেটাই বলছি ।

'Quality' এমন একখানা বিষয় যাকে ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না । কিছু সংখ্যা আর অংক দিয়ে মাপার চেষ্টা করা গেলেও 'কোয়ালিটি'র মূল ধারণাটা কিন্তু আসলে কাজ করে মানুষের মাথার ভেতর, অর্থাৎ সাইকলজিক্যাল একটা বিষয় । এমন একখানা জটিল মন:স্তাত্ত্বিক বিষয়কে যদি আপনি আপনার প্রোডাক্টের ভেতর আনতে চান তবে শুধু প্রসেস ডেভেলপ করলেই হবে না, বা কর্মীদের জন্য বিস্তর ট্রেইনিং বা প্রতিদিন একবার করে লেকচার দিলেও হবে না । বরং কোয়ালিটি'র কনসেপ্টখানা কর্মীদের মাথার একদম ভেতরে গেঁথে দিতে হবে । তাঁদের সচেতন এবং অবচেতন মনে ঢুকিয়ে দিতে হবে । এটি যদি করা যায়, শুধুমাত্র তখনই দেখবেন কর্মীগণ কোয়ালিটির ব্যপারে সেন্সিটিভ হয়ে উঠবে । Process আর KPI গুলো তখন কাজ করবে এই সেন্সিটিভিটিকে কাজের প্রসেসে এনে পুরো অপারেশনের ‘কোয়ালিটি’ আনতে ।

একখানা উদাহরণ দেই । ধরুন আপনি খাবার পণ্য বানান । এবং আপনার ইচ্ছা খুব হাই কোয়ালিটির পণ্য বানাবেন । আপনি বিজনেস প্ল্যানও করেছেন সেভাবে । সেইমতো কর্মীদেরকে আপনি নানান রকম ট্রেইনিংও দিয়েছেন । কিন্তু কর্মীদের জন্য আপনি যে দুপুরের খাবার দেন সেটির মান খুবই খারাপ ! নিম্নমানের খোলা খাবার । ডাইনিংয়ের hygiene ব্যবস্থাও খুব খারাপ ! আবার কর্মীদের যে স্ন্যাক্স দেয়া হয় সেটি রাস্তার পাশের খোলা দোকান থেকে কিনে আনা মুড়ি-ছোলা মাখা ধরণের খাবার ! Low quality, Unhygienic । কিংবা তাঁদের TA-DA তে যে টাকা দেয়া হয়, তা দিয়ে রাস্তার পাশের শস্তা হোটেলের খাবার ছাড়া কোথাও খাওয়া সম্ভব নয় !

এই পরিবেশে এমন খাবার যখন আপনার মানুষগুলো প্রতিদিন খাবেন, তখন তাঁদের মাথার ভেতর একটা সিগনাল যাবে যে এমন কোয়ালিটির খাবার খেলেও আসলে তেমন কোনো ক্ষতি নেই - আমরাই তো রোজ খাচ্ছি । এটা আসলে তেমন কোনো ব্যপার না । একটু কম্প্রোমাইজ করাই যায় । এতে ক্ষতি নেই ।

কিন্তু আসলেই কি ক্ষতি নেই ? আমার হিসেবে ক্ষতি কিন্তু আছে ।

কি জানেন ? এই লোকগুলোই যখন আপনার প্রোডাক্টের জন্য কাজ করবে তখন একটু একটু করে হলেও কম্প্রোমাইজ করবে । যে লোকটা ফ্যাক্টরীতে কাজ করে, সে প্রোডাকশন প্রসেসে একটু বেখেয়ালি হবে, যে কোয়ালিটি চেক করার সে একটু ঢিলেমী দিবে, যে ডিস্ট্রিবিউশনে কাজ করে সে একটু দেরী করবে বা হেলায়-ফেলায় প্রোডাক্ট হ্যান্ডেলিং করবে, যে সেলসে কাজ করে সে সেলস সার্ভিসে একটু কম আন্তরিক হবে, মার্কেটিংয়ের লোকটা কনজ্যুমার ইনসাইট বুঝতে একটু আলসেমী করবে, ভাল কম্যুনিকেশন দাঁড়া করাতে কিছুটা ঢিলেমী করবে, ফাইন্যান্সের লোকটা একটু হলেও হিসেবে-নিকেশে সহজ হবে, যাক না কিছু টাকা কি আর হবে - এমন একটা মানসিকতা থাকবে তাঁরও । এইচ আরের লোকটি ভাল কর্মী বাছাই করতে কিছুটা উদাসীন থাকবে কিংবা ভাল কর্মীদের ধরে রাখতে একটু কম সিরিয়াস থাকবে ।

মোদ্দা কথা সবার মাথার ভেতর অবচেতন মনে হলেও একটা ব্যপার বার বার কাজ করবে - "এটা আসলে তেমন কোনো ব্যপার না । একটু কম্প্রোমাইজ করাই যায় । এতে ক্ষতি নেই ।"

এখন চিন্তা করে দেখুন এই ভাবে যখন প্রতিটা ফাংশনের লোকগুলো একটু একটু করে ছাড় দিবে, তখন আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের মানটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে ? একটু কম মানের Raw materials কেনা হবে, প্রোডাকশনে ভুলভাল হবে, Distribution এ Inefficiency আসবে, সেলসে এফিসিয়েন্সি কমবে, Communication গুলো ধারালো হবে না, হিসেব-নিকেশে একটু একটু করে ফাঁক তৈরী হবে, এবং সর্বোপরি আপনার প্রতিষ্ঠানের লোকগুলো সবচেয়ে চৌকশ হবে না, এমনকি আপনি চৌকশ লোক হায়ার করলেও হয় তাঁরাও ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে যাবে অথবা মানিয়ে নিতে না পেরে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে যাবে ।

খেয়াল করে দেখুন এর সব কিছুই হচ্ছে কারণ আপনি কর্মীদের খাবারে কোয়ালিটি মেইনটেইন করেন নি । সামান্য কয়েকটি টাকা বাঁচানোর জন্য আপনি তাঁদের সামনে কোয়ালিটি কম্প্রোমাইজ করার একখানা উদাহরণ স্থাপন করেছেন । ব্যস, সাথে সাথে সবাই সেই উধাহরণটিকে নিজের মত নিজ নিজ কাজে এ্যাপ্লাই করে ফেলেছেন । আপনি যদি উল্টোভাবে হাই-কোয়ালিটি'র উধাহরণ স্থাপন করতেন, কর্মীদের ভেতরেও তার প্রভাব হত ঠিক তেমনই । এটি শুধু খাবারের ক্ষেত্রে নয় । আমি সব ব্যপারেই বলছি । সুতরাং, শ'খানেক ট্রেইনিং আর প্রসেস করালেও লাভ নেই, যদি না 'কোয়ালিটি' ব্যাপারখানা আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রতিটা কাজে ইন-বিল্ট না করে হয় । সেটি না করা হলে দিন শেষে সবই থোর বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোর !

বিশেষত: করোনার ভেতরে আমি আরেকটা ব্যপার খুব খেয়াল করেছি । প্রতিষ্ঠানগুলো তার কর্মীদের কিভাবে যত্ন নিয়েছে । ব্যবসায় চাপ আসতেই পারে, এসেছেও । কিন্তু কঠিন সময়ে যদি প্রতিষ্ঠান যদি তাঁর কর্মীদের বুকে ধরে আগলে না রাখে বা অন্ত:ত রাখার মত মানসিকতা দেখায়, তবে তারা আদৌ তাদের কনজ্যুমারদের প্রতি যত্নশীল হবে, কনজ্যুমারদের জন্য ভাল মানের প্রোডাক্ট বানাবে সেটি আশা করাটা আমার কাছে হাস্যকর মনে হয় । আপনার আশেপাশে যে লোকগুলো আপনার জন্য সকাল-সন্ধ্যা প্রানপাত করে পরিশ্রম করছে, যারা আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য নিজেদের মেধা-সময়-শ্রম দিচ্ছেন, আপনি সেই মুখ চেনা লোকগুলোকেই কেয়ার করছেন না, সেক্ষেত্রে আপনি অচেনা-অজানা ক্রেতার জন্য কি কেয়ার করতে পারেন সেটি বোঝাই যায় ! আপনাদের মুখ-চেনা কর্মীদের জন্য যদি আপনার বিন্দুমাত্র মায়া না থাকে, তবে অচেনা কনজ্যুমারদেরকে আপনি যা ইচ্ছে তা গছিয়ে দিতে পারেন তাতে আর অবার হবার কি আছে !

তাই দেখবেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে নামকরা প্রতিটা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম সেরা জিনিষ থাকে People treatment. কর্মীদেরকে তারা প্রচন্ড মূল্য দেয়, শ্রদ্ধা করে, ছোট ছোট সুবিধা-অসুবিধার দিকেও খেয়াল করে, সেই মত ব্যবস্থা নেয় । প্রতিটা ক্ষেত্রে তারা হাই-কোয়ালিটি একটা ইমেজ বজায় রাখে, যেটি তাদের কর্মীদের মাথার ভেতর হাই-কোয়ালিটি প্রোডাক্ট তৈরী বা সার্ভিস ডেলিভারী দেয়ার দায়িত্ববোধটা গেঁথে যায় ।

যেসব প্রতিষ্ঠান People First কনসেপ্টে বিশ্বাসী এবং সেই কনসেপ্টেকে অপারেশনের প্রতিটা ক্ষেত্রে মনে প্রাণে লালন পালন করে, শুধুমাত্র তাঁদের ক্ষেত্রে ‘কোয়ালিটি’ ব্যপারটি আসে এবং শক্তভাবে রয়ে যায় । কারণ দিনশেষে Quality is a total concept, আধাভাংগা কিছু নয় । হয় আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস Quality-full হবে, নয়তো হবে না । এর মাঝামাঝি বলে কিছু নেই ।

তাই বলছিলাম আমার কাছে কোন প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের কোয়ালিটি কত ভাল বা খারাপ, সেটি বোঝার জন্য খুব সাধারণ একখানা মানদন্ড আছে । সেটি হলো কোম্পানীর People treatment কেমন, কর্মীদের সাথে ব্যবহার কেমন ।.তবে মান যাচাইয়ের এই মাপকাঠিখানা একান্তই আমার নিজস্ব, আমার দীর্ঘদিনের অবজার্ভেশন আর Human psychology’র understanding থেকে বোঝা । আপনি এর সাথে একমত না হলেও কোনো বিতর্ক নেই ।


Amazon product description writing | Seo for product marketing | Nhrepon.com


Amazon product description writing tips for writing a best amazon product description and grow big chance on digital market.


Amazon product description writer for product ranking
Best amazon product description writer
Amazon is a top level digital marketing online web store in the world.

Now i show you,

How to write a proper amazon product description?

Amazon product description writing step:

   1. Descriptive and eye catchy title.

   2. Media optimization. (image or video)

   3. Exact summery.

   4. Descriptive bullet points.

   5. Explain about product.

   6. Benefits and feature.

   7. Reference link.

Exact product description is most important for ranking top, boosting your sale and building up your brand. 

We have product description writing service. To get our best product description writing service, please go to the link below and order a package.




To get Best product description

Order on fiverr




















Class Nine-Ten Math Solution download | Nhrepon.com

নবম ও দশম ( এস. এস. সি ) শ্রেণীর গণিত  বইয়ের সম্পূর্ণ সমাধান


ডাউনলোড


করে নিন মাত্র এক ক্লিকেই।



































Class Eight Math Solution download | Nhrepon.com

৮ম শ্রেণীর গণিত বইয়ের সম্পূর্ণ সমাধান 


ডাউনলোড


করে নিন মাত্র এক ক্লিকেই  >>>>











































Class Seven Math Solution download | Nhrepon.com


৭ম শ্রেণীর গণিত বইয়ের সম্পূর্ণ সমাধান

ডাউনলোড

করে নিন মাত্র এক ক্লিকে >>>>>>>



































মোবাইল ডিভাইসে কুরআন তেলাওয়াতের জন্য খুব কার্যকরী একটি কুরআন অ্যাপস্ | Nhrepon.com

Quran

মোবাইল ডিভাইসে কুরআন তেলাওয়াতের জন্য  দারুন একটি অ্যাপস্ ডাউনলোড করে নিন।


ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।



download













হযরত ইসহাক (আ:) | Hazrat ishap | নবীদের জীবনী | Nhrepon.com

হযরত ইসহাক (আলাইহিস সালাম)



হযরত ইসহাক ছিলেন ইবরাহীম (আঃ)-এর প্রথমা স্ত্রী সারাহ-এর গর্ভজাত একমাত্র পুত্র। তিনি ছিলেন হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর চৌদ্দ বছরের ছোট।

এই সময় সারাহর বয়স ছিল ৯০ এবং ইবরাহীমের বয়স ছিল ১০০। অতি বার্ধ্যক্যের হতাশ বয়সে বন্ধ্যা নারী সারাহ্-কে ইসহাক জন্মের সুসংবাদ নিয়ে ফেরেশতা আগমনের ঘটনা আমরা ইতিপূর্বে বিবৃত করেছি।

পবিত্র কুরআনে আকর্ষণীয় ভঙ্গীতে এ বিষয়ে আলোচিত হয়েছে সূরা হূদ ৭১-৭৩ আয়াতে, হিজর ৫১-৫৬ আয়াতে এবং যারিয়াত ২৪-৩০ আয়াতে- যা আমরা ইবরাহীমের জীবনীতে বর্ণনা করেছি।

 আল্লাহ ইসমাঈলকে দিয়ে যেমন মক্কার জনপদকে তাওহীদের আলোকে উদ্ভাসিত করেছিলেন, তেমনি ইসহাক্বকে নবুঅত দান করে তার মাধ্যমে শাম-এর বিস্তীর্ণ এলাকা আবাদ করেছিলেন।



হযরত ইবরাহীম (আঃ) স্বীয় জীবদ্দশায় পুত্র ইসহাক্বকে বিয়ে দিয়েছিলেন রাফক্বা বিনতে বাতওয়াঈল (رفقا بنت بتوائيل )-এর সাথে। কিন্তু তিনিও বন্ধ্যা ছিলেন। পরে ইবরাহীমের খাছ দো‘আর বরকতে তিনি সন্তান লাভ করেন এবং তাঁর গর্ভে ঈছ ও ইয়াকূব নামে পরপর দু’টি পুত্র সন্তান জন্ম লাভ করে। 

তার মধ্যে ইয়াকূব নবী হন। পরে ইয়াকূবের বংশধর হিসাবে বনু ইস্রাঈলের হাযার হাযার নবী পৃথিবীকে তাওহীদের আলোকে আলোকিত করেন। কিন্তু ইহুদী নেতাদের হঠকারিতার কারণে তারা আল্লাহর গযবে পতিত হয় এবং অভিশপ্ত জাতি হিসাবে নিন্দিত হয়। যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

ইসহাক্ব (আঃ) ১৮০ বছর বয়স পান। তিনি কেন‘আনে মৃত্যুবরণ করেন এবং পুত্র ঈছ ও ইয়াকূবের মাধ্যমে হেবরনে পিতা ইবরাহীমের কবরের পাশে সমাহিত হন। স্থানটি এখন ‘আল-খালীল’ নামে পরিচিত’।

উল্লেখ্য যে, হযরত ইসহাক্ব (আঃ) সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের ১৪টি সূরায় ৩৪টি আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।


যথাক্রমে সূরা বাক্বারাহ ২/১৩২, ১৩৩, ১৩৬, ১৪০; আলে ইমরান ৩/৮৪; নিসা ৪/১৬৩; আন‘আম ৬/৮৪; হূদ ১১/৭১-৭৩; ইউসুফ ১২/৬; ইবরাহীম ১৪/৩৯; হিজর ১৫/৫১-৫৬=৭; মারিয়াম ১৯/৪৯-৫০; আম্বিয়া ২১/৭২-৭৩; আনকাবূত ২৯/২৭; ছাফফাত ৩৭/১১৩; ছোয়াদ ৩৮/৪৫-৪৭; যারিয়াত ৫১/২৪-৩০=৭। সর্বমোট =৩৪টি \ 

Disavow link | remove bad backlinks | Nhrepon.com

Disavow link

Disavow meaning :- Disavow এর অর্থ হলো ‘অস্বীকার করা, মানিয়া না লওয়া’

 Disavow links:- (bad backlinksহচ্ছে স্প্যামিং বা প্রতারনা করা। এটা সাধারণত করা হয় প্রতিযোগীকে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজের র‌্যাংক থেকে সরানোর জন্য। যে কোন ব্যাক্তি তার নিজের কিংবা নিজের আওতাধীন কোন ওয়েব পেজ কে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজে সবার উপরে দেখাতে চায়। কিন্তু অনেকেই যখন অনেক চেষ্টা করেও সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে সবার উপরে বা প্রথম পেজে জায়গা করতে পারে না তখন সে তার প্রতিযোগিকে বিড করার জন্য এই ধরনের প্রতারনার আশ্রয় নেয়। বিভিন্ন আজে-বাজে সাইট থেকে তার প্রতিযোগিকে ব্যাকলিং প্রদান করা শুরু করে। এক পর্যায়ে সার্চ ইঞ্জিন যখন ঐ সাইটকে ইনডেক্স করে তখন স্প্যামিং সাইট হতে পাওয়া ব্যাকলিং গুলো দেখে সেই পেজ বা সাইটটিকে র‌্যাংক থেকে সরিয়ে দেয় বা পিছনে পেলে দেয়। আর স্প্যামার এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে সবার উপরে বা প্রথম পেজের মধ্যে জায়গা করে নেয়।




what does disavowed mean

google disavow links

backlink removal tool

remove bad backlinks

disavow list

disavow tool

disavow definition

define disavow

google webmaster tools disavow links

disavow file

webmaster disavow

disavow url

how to disavow links

google penalty

disavow seo

remove backlinks

how to create disavow file

​প্রিয় স্বপ্ন | favorite dream | bangla kobita | Nhrepon.com


​প্রিয় স্বপ্ন

(শুধুই তুমি)


তোমার ঐ দুষ্টমী মাখা মুক্ত ঝরা মিষ্টি হাসিটা আমার পৃথিবী রাঙিয়ে দেয়,
তোমার ঐ হরিণী সাদৃশ চোখের গহীনে জানিনা মন হারায় কোন অজানায়।

তোমার শূভ্রের ন্যায় বদনখানি ভেবে আামার কেটে যায় বেলা,
ওগো প্রেয়সী মোর অকৃত্রিম ভালোবাসা নিয়ে তুমি করোনা খেলা।

কতো ভালোবাসি তোমায় শুধু এই হৃদয় জানে,
ওগো ললনা এসোনা একবার বুকেরি মাঝখানে।