Showing posts with label বি সি এস. Show all posts
Showing posts with label বি সি এস. Show all posts

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল | imf | international monetary fund | Nhrepon.com

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল



IMF এর পূর্ণ  রূপ  International Monetary Fund

১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ব্রেটন উড্স সম্মেলনে স্বাক্ষরিত চুক্তির ভিত্তিতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু হয় ১৯৪৭ সালের ১লা মার্চ।

বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৮টি দেশ। সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। এ সংস্থার নির্বাহী প্রধানের পদবি ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

আর্থিক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসারের জন্য সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করা, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্থিতিশীল বিনিময় ব্যবস্থা গড়ে তোলা, ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমস্যা সমাধানের জন্য আর্থিক সাহায্য প্রদান করা এবং কারিগরি সাহায্য প্রদানের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন করা এ সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ।

এর সাংগঠনিক কাঠামো গঠিত পরিচালক পর্ষদ, কার্যনিবাহী পরিচালকমণ্ডলী, প্রধান পরিচালক ও সচিবালয় নিয়ে। বর্তমানে IMF  এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে রয়েছেন, ফ্রান্সের ক্রিস্তিন লাগার্দ (৫ জুলাই ২০১১ থেকে বর্তমান)

This is a short note on IMF.

WMF: World Monetary Fund






শর্টহ্যান্ড বা সাঁটলিপি কি? | Shorthand | Nhrepon.com

শর্টহ্যান্ড বা সাঁটলিপি কি?

(Shorthand)


শর্টহ্যান্ড বা সাঁটলিপি হচ্ছে মূলত সংক্ষেপে লিখার একটি ভাষা। বক্তার বক্তব্যকে দ্রুত লিখার জন্যই এই ভাষা ব্যবহৃত হয়। ধরুন বক্তা বললো আমরা, এই আমরা লিখতে আপনার ৫ সেকেন্ড লাগবে কিন্তু শর্টহ্যান্ট এর ভাষায় (/ বা >) লিখলেই চলবে যাতে সময় লাগবে মাত্র ১ সেকেন্ড। আর তাই
সংক্ষেপে লিখার জন্যই এই ভাষাটি শিখতে হয়। বর্তমানে যারা এইচএসসি কিংবা ডিগ্রি শেষ করে চাকুরীর অপেক্ষা করছেন তারা মাত্র চার মাসেই এটি শিখতে পারে যা সরকারী চাকুরী পাওয়ার জন্য অনেক বেশী সহায়তা করতে পারে। কারণ এই পদে পরীক্ষাথীর সংখ্যা থাকে খুবই নগণ্য। আপনি একটু অধ্যাবসায় করলেই এই পদে চাকুরী পাওয়া সুনিশ্চিত।


...........................ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত......................

জাপানের আইনসভা | The legislature of Japan | Nhrepon.com


জাপানের আইনসভা

(The legislature of Japan)


জাপানি আইনসভার নাম ‘ডায়েট’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৭ সালে প্রনীত নতুন সংবিধান অনুযায়ী ডায়েটের ক্ষমতা ও পরিধি অনেক বৃদ্ধি পায়। ডায়েট দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত। নিম্নকক্ষ ‘হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভস’ এবং উচ্চ কক্ষ ‘হাউস অব কাউন্সিলরস’
 ‘হাউস অব কাউন্সিলরস’ এর সদস্য সংখ্যা ২৪২। এ সভা ৬ বছরের জন্য নির্ধারিত হয়। অর্ধেক সদস্য প্রতি ৩ বছর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। ‘হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভস’ এর মোট সদস্য ৪৮০। ৪৮০ জন সদস্য মোট ১১৮ টি ‘নির্বাচনি জেলা’ হতে নির্বাচিত হন। প্রত্যেক জেলায় ৩ থেকে ৫ জন সদস্য থাকেন। সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নিবার্চিত হন। প্রত্যেক ভোটার একটি করে ভোট দেন। যে সব সদস্য সর্বোচ্চ ভোট পান তারা জেলা থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধি হয়ে ‘হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভস’ এ আসেন। ‘হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভস’ চার বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। তবে সরকার যে কোন সময় এ হাউস বিলুপ্ত করতে পারে। বিলুপ্ত হলে ৪০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন দিতে হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে জাপানি রাজনীতিতে ‘ডায়েটের’ ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে থাকে। বর্তমানে জাপানি রাজনীতির মূলধারা ডায়েটকে কেন্দ্র করেই পরিচালিত হচ্ছে।

এ্যামব্যাসেডর ও হাইকমিশনার কি? | Ambassador and High Commissioner | nhrepon.com

এ্যামব্যাসেডর ও হাইকমিশনার 

(Ambassador and High Commissioner)  


এ্যামব্যাসেডর ও হাইকমিশনার (Ambassador and High Commissioner)  এর মাঝে মর্যাদাগত তেমন পার্থক্য নেই। 
দুটিই এক রাষ্ট্র কতৃক অপর রাষ্ট্রে প্রেরিত সবোচ্চ শ্রেণীর কূটনীতিক দূতকে বলা হয়।

তবে হাইকমিশনার বলতে কমনওয়েলথভূক্ত রাষ্ট্র সমূহের সবোচ্চ শ্রেনীর কূটনীতিকদের বুঝানো হয়।
 কমনওয়েলথ হলো ব্রিটেনসহ এক সময় ব্রিটেনের অধীনে ছিল এমন রাষ্ট্রসমূহের সংগঠন।

রাষ্ট্রদূতকে তখনি হাইকমিশনার বলা যাবে যখন দুটি দেশই কমনওয়েলথভূক্ত হবে। 
যেমন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ভারতে নিয়োগ পেলে তাকে হাইকমিশনার বলা হবে। 
একইভাবে ভারতের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে নিয়োজিত হলে তাকেও হাইকমিশনার বলা হবে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কে এ্যামব্যাসেডর ও বাংলাদেশে যু্ক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে এ্যামব্যাসেডর বলা হবে। 
কারণ বাংলাদেশ কমনওয়েলথভূক্ত দেশ হলেও যুক্তরাষ্ট্র কমনওয়েলথ ভূক্ত দেশ নয়।

তাই কমনওয়েলথ বহিভূর্ত দেশসমূহের সর্বোচ্চ কূটনীতিবিদ কিংবা বহির্ভূত কোন দেশের ক্ষেত্রে কমনওয়েলথভূক্ত দেশসমূহের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কূটনীতিকদের বলা হয় এ্যামব্যাসেডর।

কিয়োটো চুক্তি কি? (Kioto) এ চুক্তিটি কি উদ্দেশ্যে, কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল? | Nhrepon.com

কিয়োটো চুক্তি

Nhrepon.com
Nhrepon.com
বিশ্বের পরিবেশ রক্ষা করার জন্য বিশ্ব উষ্ণতা রোধে জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটোতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে কিয়োটো চুক্তি বা প্রটোকল স্বাক্ষর করা হয়। 
এটি কার্বন নির্গমন কমানোর একমাত্র আইনগত চুক্তি। চু্ক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯১৭ সালে।
 চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বার ২০০৫ সালে। 
এর মেয়াদ শেষ হয় ২০১২ সালে। 
৬ টি গ্রীন হাউস গ্যাস Carbon-di-oxide, Methane, Nitrous oxide, Sulphur hexafluoride, Hidrofluorocarbons and perflurocarbons কমানোর লক্ষ্যে এই কিয়োটো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 
চুক্তিতে বলা হয় যে, শিল্পোন্নত দেশসমূহ তাদের গ্রীন হাউস গ্যাসের নির্গমন ২০০৮-২০১২ সাল নাগাদ ১৯৯০ সালের পর্যায়ে নিয়ে আসবে তথা গড়ে ৫ শতাংশ হারে হ্রাস করবে। 
এতে আরো বলা হয়েছে যে, প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক দেশকে নিজ দেশে উৎপন্ন গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমান অনুযায়ী হ্রাস করতে হবে। 
চুক্তিতে ৮ শতাংশ হারে সুইজারল্যাণ্ড, মধ্য ও পূর্ব-ইউরোপ , ইউরোপীয় ইউনিয়ন; ৭ শতাংশ হারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; ৬ শতাংশ হারে কানাডা, হাঙ্গেরি, জাপান, পোল্যান্ড, রাশিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ইউক্রেন কে গ্রীন হাউস গ্যাস নির্গমনের মাত্রা হ্রাস করতে বলা হয় ২০১২ সালের মধ্যে। 
কিন্তু উল্লিখিত সময়ে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন না হওয়ায় চুক্তিটি ২য় মেয়াদে ২০২০ সাল পর্যন্ত বর্ধিত হয়। এখন পর্যন্ত ২৭ ‍টি দেশ এর পক্ষে অনুসমর্থন দিয়েছে।












১৪ ‍দিয়ে মজার কিছু তথ্য | Nhrepon.com

Nhrepon
Nhrepon.com
কুরআনে মোট সিজদার আয়াত - ১৪টি ।
পবিত্র কোরানের মোট সূরা - ১১৪ টি ।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস - ১৪ ডিসেম্বর ।
বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস
- ১৪ নভেম্বর ।
পানামা খালের গভীরতা - ১৪ মিটার ।
চীনের প্রতিবেশী দেশ - ১৪ টি ।
বর্তমানে বিশ্বে মৌলিক পদার্থের সংখ্যা - ১১৪ টি ।
পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস - ১৪ আগষ্ট ।
১০ম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহন করে - ১৪টি দেশ ।
সনেটে পংক্তি বা লাইন থাকে - ১৪টি ।
মনমোহনসিং ভারতের - ১৪তম প্রধানমন্ত্রী ।
বাংলাদেশে পরমানু চিকিৎসা কেন্দ্র - ১৪টি ।

প্রয়োজনীয় কিছু প্রশ্ন উত্তর | Nhrepon.com

Nhrepon.com
Nhrepon.com
০১। বর্তমানে আয়তনে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ কোনটি?
উত্তর: ময়মনসিংহ।
০২। বাংলাদেশের ২২ তম স্থলবন্দর কোনটি?
উত্তর: শেওলা।
০৩। বর্তমানে দেশে ৬৩৭ তম থানা কোনটি?
উত্তর: বাঙ্গারা, কুমিল্লা।
০৪। বর্তমানে বাংলাদেশের ৩২০ তম পৌরসভা কোনটি?
উত্তর: ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০৫। কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের সময়সীমা কত?
উত্তর: ১৯৫৮-১৯৬০ সাল।

উপনিবেশবাদ ও নব-উপনিবেশবাদ | Colonialism and new-colonialism | Nhrepon.com

উপনিবেশবাদ (Colonialism ):- ল্যাটিন শব্দ ‘কলোনিয়া’ থেকে ইংরেজি ‘কলোনি’ বা উপনিবেশ শব্দটির উদ্ভব ঘটেছে। উপনিবেশ শব্দটির মূল অর্থ হলো ‘মানব সমাজের একটি স্থানান্তরিত অংশ’। রাজনৈতিক দিক থেকে বিচার করলে উপনিবেশ বলতে বোঝায়, দেশের সীমান্তের বাহিরে কোন রাষ্ট্রের বসতি স্থাপন অথবা রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন কোন একটি ভূখণ্ড, যে ভূখণ্ড উক্ত রাষ্ট্রের কাছে নির্দিষ্টভাবে আনুগত্য প্রকাশ করে। আবার অনেকের মতে, কোন সার্বভৌম রাষ্ট্রের মালিকাধীন দূরবর্তী ভূখণ্ড কে উপনিবেশ বলে।


নব-উপনিবেশ (new-colonialism) :- প্রাক্তন ঔপনিবেশিক শক্তিসমূহ কর্তৃক স্বাধীনতা প্রাপ্ত দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর ওপর প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টার নাম হলো নব-উপনিবেশ। নব-ঔপনিবেশিকতার ফলে আফ্রিকার বহুদেশে পশ্চিম ইউরোপীয় দেশ সমূহের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সামরিক প্রাধান্যের স্থলে অর্থনৈতিক প্রাধান্য বজায় থাকে। তাছাড়া সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আফগানিস্তান ও ইরাক দখল নব-ঔপনিবেশিকতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

ট্যারিফ ও ট্যাক্স | Tax and tariff | nhrepon.com

ট্যারিফ ও ট্যাক্স এর সংজ্ঞা এবং এদের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করা হলো .....


ট্যারিফ (Tariff) :- কোন আমদানি বা রপ্তানিজাত দ্রব্যের আমদানি-রপ্তানি শুল্কই হচ্ছে ট্যারিফ। অর্থাৎ ট্যারিপ হলো আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের একটি তালিকা যাতে সরকার কতৃক আমদানি ও রপ্তানির উপর আরোপিত কর নির্দিষ্ট করা থাকে।


ট্যাক্স (Tax) :- ট্যাক্স হলো সরকারি রাজস্বের উৎস যেটি বাধ্যতামূলকভাবে সরকারকে প্রদেয় অর্থ, যার বিনিময়ে ট্যাক্স দাতা সরকারের কাছ থেকে প্রতক্ষ কোন সুযোগ-সুবিধা পায় না।


পার্থক্য:-
১। ট্যারিফ সাধারণত আমদানি-রপ্তানি পণ্য-দ্রব্যের উপর আরোপ করা হয়। ট্যাক্স কোন ব্যক্তির আয় বা সম্পদের উপর আরোপ করা হয়।

২। ট্যরিফ বাধ্যমূলক নয়। প্রয়োজনবোধে ট্যারিফ প্রদান করতে অস্বীকার করা যায়। ট্যাক্স বাধ্যতামূলক, এটা অস্বীকার করা যায় না।

৩। ট্যারিফের পরিধি ট্যাক্সের পরিধি অপেক্ষা কম। ট্যাক্সের পরিধি ট্যারিফের পরিধি অপেক্ষা বেশি।

৪। ট্যারিফের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা থাকে। ট্যাক্সের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ সুবিধা থাকে না।

৫। ট্যাক্স ও ট্যারিফ উভয়টি সরকারি রাজস্ব আয়ের উৎস। ট্যাক্স আরোপ করা হয় দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য, সম্পদ ও নাগরিকের আয়ের উপর। অন্যদিকে ট্যারিফ আরোপ করা হয় আন্তঃরাষ্ট্রীয় বাণিজ্যের উপর।