Showing posts with label মজার গল্প. Show all posts
Showing posts with label মজার গল্প. Show all posts

আচ্ছা, আমি মারা যাবার কতদিন পরে তুমি আরেকটা বিয়ে করবা?

 অসুস্থ বউ মারা যাবে জেনে সে তার জামাইকে জিজ্ঞেস করল, 'আচ্ছা, আমি মারা যাবার কতদিন পরে তুমি আরেকটা বিয়ে করবা?😒


জামাইও বলে দিলো যতদিন পর্যন্ত তোমার কবর একেবারে শুকিয়ে যাবেনা ততদিন পর্যন্ত।
কয়েকদিন পর বউ মারা গেলো।
প্রতিদিন জামাই তার বউয়ের কবর জিয়ারত করতে যেতো কিন্তু ভিজা মাটি এতদিন হয়ে যায় শুকায় না। জামাই ভাবছে এটা কিভাবে সম্ভব? 🤔

একদিন কবরের পাশ দিয়ে জামাই হেটে যাচ্ছিলো।
সে দেখলো তার শালাবাবু বোনের কবরের ঐখান থেকে আসছে। তার হাতে খালি একটা বালতি।
সে শালাকে প্রশ্ন করলো কিরে হাতে বালতি নিয়ে কি করিস?🤔
শালা বললো ''আমার বোন মারা যাবার আগে আমাকে বলে গেছিলো প্রতিদিন উনার কবরে পানি ঢালতে। এতে বুঝি আমার বোনটা কবরে শান্তি পাবে''। 😇

Moral of the story: "A wife will never share her Husband even after her death."💝

একজন স্ত্রী কখনোই তার স্বামীর ভাগ কাউকে দেন না; এমনকি তার মৃত্যুর পরেও না!

পুরুষের সফলতার পিছনে নারীর হাত

থাইল্যান্ডের একটি কুমিরের খামারে একটি কোম্পানির বার্ষিক বনভোজন চলাকালীন ... কোম্পানীর চেয়ারম্যান ঘোষনা দিলেন
যে, কোন কর্মচারী যদি কুমিরে ভরা এই পুকুর সাতরে এপার থেকে উপারে গিয়ে জীবন নিয়ে বেঁচে উঠতে পারে তবে সে ৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার পাবে আর যদি সে মারা যায় তবে তাঁর পরিবার ২ মিলিয়ন ডলার পাবে। দীর্ঘক্ষন ধরে কেউই চ্যালেঞ্জ নিতে সাহস করেনি।
তারপর হঠাৎ একজন মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তার জীবনহানির কথা ভেবে পাড়ে দাঁড়ানো সবাই আফসোস করতে থাকে।
তবে সৌভাগ্যক্রমে সে অক্ষত অবস্থায় পুকুরটি পার হতে সক্ষম হয়।
হাঁপাতে হাঁপাতে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার পর তাত্ক্ষণিক মিলিওনেয়ার বনে যাওয়া লোকটি চেঁচিয়ে বলতে থাকে- “আমাকে কে ধাক্কা দিয়েছিল?” দূর্ভাগ্যক্রমে কাজটি তার স্ত্রীই করেছিল !!! এবং সেই দিন থেকে এই প্রবাদটি চালু আছে যে, "পুরুষের প্রত্যেক সফলতার পিছনে একজন নারীর হাত আছে”

একটি বাসর রাত | Bashor rat | Nhrepon.com

আজ রিপন ও শারমিনের এর বাসর রাত। পারিবারিক ভাবেই
তাদের বিয়ে হয়েছে। শারমিন  শিক্ষিত মেয়ে এবং

রিপন পড়ালেখা শেষ করে নিজেদের
পারিবারিক ব্যবসা দেখাশুনা করে।
রাত ১২:৩০ মিনিট। রিপন বাসর ঘরে আসলো
সবাই কে বিদায় জানিয়ে। শারমিন খাট থেকে নেমে
রিপন এর পা ছুয়ে সালাম করলো। রিপন 
শারমিন কে উঠিয়ে খাটের উপর বসাল। রিপন শারমিন 
কে বলল "আজ আমাদের বাসর রাত। সবার মতই
আমাদের জীবনেও বহু প্রতিক্ষিত রাত এই রাত।
আজ এই শুভক্ষনে আমি তোমাকে কিছু কথা
বলতে চাই আশা করি মনযোগী হয়ে শুনবে।
কালকেও তুমি শুধু একটা মেয়ে ছিলে। আজকে
তুমি কারো স্ত্রী, কারো সংসারের বউ। কারো
ভাবি, কারো জা, কারো চাঁচি, কারো মামী। আজ
থেকে তোমার অনেক দায়িত্য বেড়ে
গেছে। যেহেতু আমরা পরিবারের কথামত বিয়ে
করেছি তাই হয়তো একে অপরকে জানার সময়
কম পেয়েছি। তবুও কিছু কথা জানা প্রয়োজন।
আজ থেকে তুমি আমার স্ত্রী এবং আমি তোমার
স্বামী। যেহেতু আমাকে তোমার বর
হিসেবে মেনে নিয়েছ, তাই মনে করছি
আমাকে তোমার যোগ্য মনে করেছ। আর
আমাকে যদি তোমার যোগ্য করে কেউ গড়ে
তোলে তারা হল আমার আব্বু আম্মু। আশা করি তুমি
তাদের কে সম্মান দিয়ে চলবে। তাদের কে
নিজের আব্বু আম্মু মনে করবে।
তারা আমাকে তোমার যোগ্য করেছে তার
মানে তারা আমার থেকে অনেক বেশি যোগ্য
তাই তারা বয়সের কারনে হয়তো রাগারাগি করতে
পারে। তখন তুমি তাদের সামনে মাথা নত রেখে
নরম স্বরে কথা বলবা। কারন "কখনো কখনো
তোমার মুখটা বন্ধ রাখতে হবে। গর্বিত মাথাটা নত
করতে হবে এবং স্বীকার করে নিতে হবে যে
তুমি ভুল। এর অর্থ তুমি পরাজিত নাও, এর অর্থ তুমি
পরিণত এবং শেষ বেলায় জয়ের হাসিটা হাসার জন্য
ত্যাগ স্বীকারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।"
যদি তুমি তাদের রাগের সময় ভাল ব্যবহার কর তাহলে
তারা আর কখনই তোমার সাথে রাগবে না। যদি তুমি
আব্বু আম্মুকে মন থেকে ভালবাসো তাহলে
তারা তোমাকে অনেক আশির্বাদ করবে যা
অমুল্য।
তোমাকে রান্না করতে হবে। আম্মু যখন রান্না
করবে তখন তুমি আম্মু কে গিয়ে বল যে আম্মু
আমি রান্না পারি না আমাকে শিখাবেন?? আম্মু খুশি
হবে। তোমাকে রান্না করতে হবে না তখন তবু
খুশি থাকবে। বিকেলবেলা একটু চা বানিয়ে
তাদেরকে দিয়ে আসলে তারা অনেক খুশি হবে
তোমার উপর।
শুনেছি সব ভাবিরা নাকি ননদ ও জা দেরকে
দেখতে পারে না। তুমি এই ধারনা পাল্টে দিবা।
আমার বোনরা ৬মাস পর হয়তো আসবে থাকবে
৬দিন। এই ৬দিন তাদেরকে নিজের বোন মনে
করে আদর কর যেন পরের বার তোমার টানেই
আসে আবার।
তুমি হয়তো জানো না যে একবার আমি অসুস্থ
হইছিলাম এবং আমার আব্বু আম্মু ছিল না। আমার
২বোন সারারাত আমার মাথার পাশে না ঘুমিয়ে সেবা
করেছিল এখন ভাবো তুমি তাদের কে কেমন
ভালবাসবে?
আমার বড় ভাই আছে যে আমার চাওয়ার আগেই
আমার অভাব পুরন করছে আশা করি তুমি তাকে
নিজের ভাইয়ের মত দেখবে। যদি ভাইয়ার কাছে
কিছু আবদার কর তাহলে তিনি তোমার উপর খুশি
হবেন। আর ভাবি তো তোমাকে বোন
বানিয়েই ফেলেছেন।
আমাদের বাড়িতে অনেক বাচ্চাকাচ্চা আছে।
তাদের কে আদর করবে সারাদিন তাদের সাথে
সময় কাটাবে একঘেয়েমি দুর হবে।
অতঃপর ভালবাসা দিয়ে সব জয় করা যায় হিংসা দিয়ে নয়।
ভালবাসা দানে বাড়ে কমে না। যতযত ভালবাসা দিবে
সবাই তেমন ভালবাসা তোমাকে দিবে। সবাইকে
ভালবাসবে। আর তুমি যদি এতকিছু কর তাহলে আমি
নিশ্চয় তোমাকে খারাপ রাখতে চাইব না? আর একটা
মেয়ের কাছে স্বামীর সুখের চেয়ে বড় কিছু
নেই।
এমন কিছু করবে যেন এই ঘরটাকে স্বর্গ মনে
হয়। প্রতিদিন পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বা। তুমি অনেক
রুপসী কিন্তু সেটা সবার জন্য নয়। তাই বাইরে
সংযত হয়ে চলাফেরা করবে।
তোমার কিছু বলার থাকলে বল। শারমিন মাথা উঠেই
নিলয় এর দিকে তাকালে রিপন দেখে শারমিন 
কাঁদছে। রিপন বলল কাঁদছ কেন? শারমিন বলল
জীবনে কাউকে বলিনি আজ বলছি "আমি
তোমাকে ভালবাসি" আমার জীবনে শ্রেষ্ঠ
উপহার তোমার মত কাউকে জীবনে সঙ্গি করে
পাওয়া।
রিপন বলল আমিও ভালবাসি তোমাকে। কথা
বলতে বলতে আযান দিয়ে দিল মসজিদে।
রিপন বলল, যাও তুমি নামাজ পরে ঘুমাতে যাও
আর আমি মসজিদে গিয়ে নামাজ পরে আসতেছি।
পরের দিন থেকে শুরু হল এক শান্তির সংসার।
আমার আব্বু আম্মু যেন বউ পায়নি পেয়েছে
একটা মেয়ে। আমাকে বাদ দিয়ে সারাদিন বউকে
নিয়েই ব্যস্ত থাকে বাড়ির সবাই। আমিও কিছু বলিনা।
দিন গেলে রাতটাতো আমার।
গল্পটি আপনাদের ভালো লাগলে শেয়ার করুন।


.........সংগৃহীত..........

বাসর ঘরের গল্প | বাসর ঘর | basor ghor | nhrepon.com

বাংলা বাসর ঘরের (bangla basor gor) রোমান্টিক গল্প:

বাসর ঘর
Nhrepon

বাসর ঘরে (bashor ghor) ঢুকে পাশে বসতেই
বৌ আমাকে বলল....
----ঘড়িতে তাকিঁয়ে দেখুন তো কয়টা বাজে??
বাসর রাতে বৌয়ের এমন সাহসী প্রশ্নে কিছুটা বিচলিত

হলাম।তখন ঘড়িতে তাকিঁয়ে দেখি রাত ১২.৩০মিঃ।

আমিবৌয়ের পাশে বসে আস্তে করে বললাম.....

----শোনো আমার এখন বিয়ে করার কোন ইচ্ছেই ছিলো
না।আমার বাবা-মায়ের পছন্দেই তোমাকে বিয়ে করেছি।
তবে আমার কারো সাথে কোন সম্পর্ক ও নেই।কিন্তু আমি
বিয়ের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।তাই আমি
এখন চাইলেও এত সহজে তোমাকে বউ হিসেবে মানতে বা
বৌয়ের অধিকার দিতে পারবোনা।
কথা গুলো বলে শেষ করা মাত্র ই
নতুন বউ আমার পাঞ্জাবির কলারটা চেপে ধরে বলল.....
----আমাকে কি খেলার পুতুল মনে হয় নাকি??পছন্দ হয়নি,
বিয়ে করতে চাননি এইটা আগে বলতে পারলেন না??
নিজের মায়ের মন রক্ষা করতে আমার সব আশা-স্বপ্ন কে
কেন বলিদান দিতে হবে?
বিয়ে করার ইচ্ছে নেই,এইটা আমাকে আগে বললেই
পারতেন।তবেই আমি আমার পক্ষ থেকে বিয়ে ভেঙে
দিতাম।মায়ের প্রতি ভন্ড ভক্তি শ্রদ্ধা দেখাতে গিয়ে
আমার জীবনটা কেন এইভাবে নষ্ট করে দিলেন হুম?
আমি তো আপনার কোন ক্ষতি করিনি।এখন আমি
যেভাবে বলব সেভাবেই সব হবে। ঠিক আছে????
বলেই কলার টা ছেড়ে দিলো।পরে আবার বলল....
----আচ্ছা যা হবার তা তো হয়েই গেছে।
দিতে হবে না আপনাকে বউয়ের অধিকার।
যান নিচে গিয়ে ঘুমান।একদম খাটে ঘুমাতে পারবেন না।
বলেই আমার বালিশ পা ফ্লোরে ছুড়ে মারলো।আমি ও
বাধ্য ছেলের মতো ফ্লোরেই শুয়ে পড়লাম।আর মনে মনে
ভাবতে লাগলাম,কেমন গুন্ডি মেয়ে রে বাবা।জীবনেও
এমন মেয়ে দেখিনী।
মনে তো হচ্ছে জীবন পুরাই তেজপাতা করে ছাড়বে।
.
ফ্লোরে ঘুমই আসছেনা।কখনই ফ্লোরে ঘুমাই নি।কিন্তু
আজকে নিজের অমতে বিয়ে করার কারনেই ফ্লোরে
ঘুমাতে হচ্ছে।
এর মধ্যে মশার আন্দোলন। ইসসসসসস,,,,,,সহ্য হচ্ছেনা।চোখ
বন্ধ শুয়ে করে আছি।কখন জানি ঘুমটা লেগে গেছে
বুঝতেই পারিনি।হঠাৎই সজাগ হয়ে দেখি আমার শরীরে
কম্বল আর পাশে ও মশার কয়েল লাগানো।মনটাতে একটু
স্বস্তি পেলাম,চোর হলেও মানুষ ভালো।
মনে মায়া-দয়া আছে।
.
পরের দিন ঘুম থেকে উঠেই দেখি টেবিলে চা রাখা।চা
খেয়ে,ফ্রেশ হয়ে রুমে বসে ফোন টিপছিলাম তখন ই
তানিয়া (আমার বৌ)এসে বললো.....
----এইযে সেই কতক্ষন যাবত খাবার নিয়ে সবাই অপেক্ষা করছে 
আর আপনি ঘরে বসে আছেন কেন?এখনি নিচে চলুন আগে......??বলেই আমার কানের কাছে এসে আস্তে করে
বললো...
-----নাকি খাবার টা রুমে নিয়ে আসবো?
আমি তো হার্ট এ্যাটাক হতে হতে বেচেঁ গেছি।আমি তো
ভাবছিলাম,বউ বুঝি এইবার ও কলার ধরেই আমাকে খাবার
টেবিলে নিবে।কিন্তু না,বউয়ের স্বর পাল্টে গেছে,তবে
কি বউ আমার প্রেমে পড়ে গেল নাকি??কথাটা ভাবতে
ভাবতেই বউয়ের দিকে তাকালাম।হা হয়ে তাকিঁয়ে
আছি,বউ তো আমার হেব্বি সুন্দরী।রাতে তো ভাবছিলাম
হিটলারনি।এখন দেখি না মায়াময়ী।এইবার যে আমি
বউয়ের প্রেমে পড়ে গেলাম।নিজেই নিজেকে বললাম...
----পিন্টু মনে হয় তুই তোর হিটলারনি বউয়ের প্রেমে পড়ে
গেছিস।
.
হঠাৎ একটা বিকট শব্দে বাস্তবে ফিরলাম।
সামনে তাকিঁয়ে বউ আমার ফ্লোরে পরে চোখ বন্ধ করে
আছে।বুঝতে পারলাম,পাগলীটা খুবই ব্যথা পাইছে।
দৌড়ে গিয়ে টেনে তুলে বসাতে গেলাম আর অমনি
আস্তে করে বলল.....
----কেমন স্বামী গো আপনি??
আমি তো একটু ভ্যাবাচ্যকা খেয়ে গেলাম।
বললাম...
----আমি আবার কি করলাম।
বৌ বলল....
----আমি মাটিতে পরে আছি কই কোলে করে নিয়ে
বিছানায় শোয়াবেন,তা না করে আমার হাত ধরে
টানছেন।
সাথে সাথেই আমি কোলে করে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে
দিলাম।
আমায় শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল....
----ইচ্ছে করে এইভাবে ই ধরে রাখি সারাটা জীবন।কিন্তু
আপনি তো আমাকে পছন্দই করেন না।
কথা শেষ করেই তানিয়া দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়লো।
আমারও বুকের ভিতরটা দুমড়ে মুচড়ে গেল।আমারো খুব বলতে ইচ্ছা হচ্ছিল *
কপালে একটা চুমো একেঁ দিয়ে বলি ...
----পাগলী আমি যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি
গো।
কিন্তু পারলাম না।কোথায় জানি একটা বাধাঁ
পাচ্ছিলাম।এই সুযোগে তানিয়া আমাকে ঠেলে
বিছানায় ফেলে দিয়ে দৌড়ে পালালো।আমি শুধু ওর
চলে যাওয়ার পানে তাকিঁয়ে রইলাম।পরক্ষনেই খেয়াল
হলো,ও তো ব্যথা পাইছে।যার কারনে কোলে করে
উঠাতে হলো।বুঝতে আর বাকি রইলো না,এইবার ও
আমাকে বোকা বানানো হয়েছে।
.
পাগলিটার সাথে খুনসুটি প্রেম করতে করতেই কেটে গেল
২টা বছর।এখন কেউ কাউকে ছাড়া কিছু ভাবতেই পারিনা।
আমার পাগলীটা এখন গর্ভবতী।
তাই খুব যত্ন নেই তার।আজকেই বাচ্চা হবার তারিখ
দিয়েছে ডাক্তার।
আমি অফিসে ছিলাম,হঠাৎই বাবার ফোন পেয়ে ছুটে
গেলাম হসপিটাল।গিয়েই শুনলাম আমার ঘর আলো করে
এসেছে এক ছোট্ট রাজকন্যা।
কিন্তু....
আমার পাগলিটার কোন সাড়া শব্দ পাচ্ছিনা কেন??ভয়ে
আৎকে উঠলাম।অনেকের মুখেই শুনেছি,বাচ্চা জন্ম দিতে
গিয়ে মারা গেছে অনেক মা।সে ভয়েই বাচ্চা নিতে
চাইনি।কিন্তু ওর নাকি বাচ্চা লাগবেই।
ওর ইচ্ছে পূরন করতে গিয়েই কি তবে......???
আর ভাবতেই পারছিনা।
আর একটা মিনিট ও নষ্ট না করে,দৌড়ে গেলাম কেবিনে।
গিয়ে দেখি বাচ্চা টা হাত পা নাড়িয়ে খেলছে।
কিন্তু তানিয়া চোখ বন্ধ করে রাখছে।
ওর নিঃশ্বাস আছে কি নাই তা দেখার মতো ধৈর্য আমার
ছিলোনা।তাই তানিয়াকে জড়িয়ে চিৎকার দিয়ে
ফেললাম।
সাথে সাথেই কানের কাছে একটু ব্যথা অনুভব করলাম।
পরে দেখি তানিয়া আমার আস্তে করে কানে কামড়
দিয়ে বলল....
-----কি ভাবছিলা তোমাকে একা রেখে চলে যাবো??
আরে না গো,আমি চলে গেলে,তোমাকে জ্বালাবে
কে??
আমিও বুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রাখলাম।আর
বললাম,বড্ড ভালোবাসি রে পাগলি তোকে।ছাড়বোনা
কখনই।


 .........সংগৃহীত..........