১৪ ‍দিয়ে মজার কিছু তথ্য | Nhrepon.com

Nhrepon
Nhrepon.com
কুরআনে মোট সিজদার আয়াত - ১৪টি ।
পবিত্র কোরানের মোট সূরা - ১১৪ টি ।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস - ১৪ ডিসেম্বর ।
বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস
- ১৪ নভেম্বর ।
পানামা খালের গভীরতা - ১৪ মিটার ।
চীনের প্রতিবেশী দেশ - ১৪ টি ।
বর্তমানে বিশ্বে মৌলিক পদার্থের সংখ্যা - ১১৪ টি ।
পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস - ১৪ আগষ্ট ।
১০ম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহন করে - ১৪টি দেশ ।
সনেটে পংক্তি বা লাইন থাকে - ১৪টি ।
মনমোহনসিং ভারতের - ১৪তম প্রধানমন্ত্রী ।
বাংলাদেশে পরমানু চিকিৎসা কেন্দ্র - ১৪টি ।

প্রয়োজনীয় কিছু প্রশ্ন উত্তর | Nhrepon.com

Nhrepon.com
Nhrepon.com
০১। বর্তমানে আয়তনে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ কোনটি?
উত্তর: ময়মনসিংহ।
০২। বাংলাদেশের ২২ তম স্থলবন্দর কোনটি?
উত্তর: শেওলা।
০৩। বর্তমানে দেশে ৬৩৭ তম থানা কোনটি?
উত্তর: বাঙ্গারা, কুমিল্লা।
০৪। বর্তমানে বাংলাদেশের ৩২০ তম পৌরসভা কোনটি?
উত্তর: ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০৫। কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের সময়সীমা কত?
উত্তর: ১৯৫৮-১৯৬০ সাল।

উপনিবেশবাদ ও নব-উপনিবেশবাদ | Colonialism and new-colonialism | Nhrepon.com

উপনিবেশবাদ (Colonialism ):- ল্যাটিন শব্দ ‘কলোনিয়া’ থেকে ইংরেজি ‘কলোনি’ বা উপনিবেশ শব্দটির উদ্ভব ঘটেছে। উপনিবেশ শব্দটির মূল অর্থ হলো ‘মানব সমাজের একটি স্থানান্তরিত অংশ’। রাজনৈতিক দিক থেকে বিচার করলে উপনিবেশ বলতে বোঝায়, দেশের সীমান্তের বাহিরে কোন রাষ্ট্রের বসতি স্থাপন অথবা রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন কোন একটি ভূখণ্ড, যে ভূখণ্ড উক্ত রাষ্ট্রের কাছে নির্দিষ্টভাবে আনুগত্য প্রকাশ করে। আবার অনেকের মতে, কোন সার্বভৌম রাষ্ট্রের মালিকাধীন দূরবর্তী ভূখণ্ড কে উপনিবেশ বলে।


নব-উপনিবেশ (new-colonialism) :- প্রাক্তন ঔপনিবেশিক শক্তিসমূহ কর্তৃক স্বাধীনতা প্রাপ্ত দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর ওপর প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টার নাম হলো নব-উপনিবেশ। নব-ঔপনিবেশিকতার ফলে আফ্রিকার বহুদেশে পশ্চিম ইউরোপীয় দেশ সমূহের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সামরিক প্রাধান্যের স্থলে অর্থনৈতিক প্রাধান্য বজায় থাকে। তাছাড়া সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আফগানিস্তান ও ইরাক দখল নব-ঔপনিবেশিকতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

ট্যারিফ ও ট্যাক্স | Tax and tariff | nhrepon.com

ট্যারিফ ও ট্যাক্স এর সংজ্ঞা এবং এদের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করা হলো .....


ট্যারিফ (Tariff) :- কোন আমদানি বা রপ্তানিজাত দ্রব্যের আমদানি-রপ্তানি শুল্কই হচ্ছে ট্যারিফ। অর্থাৎ ট্যারিপ হলো আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের একটি তালিকা যাতে সরকার কতৃক আমদানি ও রপ্তানির উপর আরোপিত কর নির্দিষ্ট করা থাকে।


ট্যাক্স (Tax) :- ট্যাক্স হলো সরকারি রাজস্বের উৎস যেটি বাধ্যতামূলকভাবে সরকারকে প্রদেয় অর্থ, যার বিনিময়ে ট্যাক্স দাতা সরকারের কাছ থেকে প্রতক্ষ কোন সুযোগ-সুবিধা পায় না।


পার্থক্য:-
১। ট্যারিফ সাধারণত আমদানি-রপ্তানি পণ্য-দ্রব্যের উপর আরোপ করা হয়। ট্যাক্স কোন ব্যক্তির আয় বা সম্পদের উপর আরোপ করা হয়।

২। ট্যরিফ বাধ্যমূলক নয়। প্রয়োজনবোধে ট্যারিফ প্রদান করতে অস্বীকার করা যায়। ট্যাক্স বাধ্যতামূলক, এটা অস্বীকার করা যায় না।

৩। ট্যারিফের পরিধি ট্যাক্সের পরিধি অপেক্ষা কম। ট্যাক্সের পরিধি ট্যারিফের পরিধি অপেক্ষা বেশি।

৪। ট্যারিফের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা থাকে। ট্যাক্সের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ সুবিধা থাকে না।

৫। ট্যাক্স ও ট্যারিফ উভয়টি সরকারি রাজস্ব আয়ের উৎস। ট্যাক্স আরোপ করা হয় দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য, সম্পদ ও নাগরিকের আয়ের উপর। অন্যদিকে ট্যারিফ আরোপ করা হয় আন্তঃরাষ্ট্রীয় বাণিজ্যের উপর।










যে দেশের সী-বিচে নগ্ন হওয়ার আইন আছে

আয়ারল্যান্ডের দক্ষিণ ডাবলিনে চালু হতে যাচ্ছে হাক ক্লিফ বিচ। যাকে বলা হচ্ছে প্রথম ন্যুড বিচ বা নগ্ন সৈকত। 
অর্থাৎ সেখানে গিয়ে মানুষ নগ্ন হয়ে গোসল করার সুযোগ পাবে।
 উদ্যোক্তারা বলছেন, এই সৈকতে থাকবে সূর্য, বালু ও সমুদ্র কিন্তু থাকবে না কোনো বাথিং স্যুট।

এই নিয়ে যারা প্রচারণা চালিয়ে আসছিল সেই আইরিশ ন্যাচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ফ্যাট গ্যালাঘের বলেন, ন্যাকেড বিচ আয়ারল্যান্ডে ধারণার চেয়েও বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। 
কারণ আইন-সম্মতভাবে নগ্ন সৈকতের দাবিতে কয়েক বছর ধরে প্রচারণা ছিল। 
এরপর একটি বিলের মাধ্যমে ২০১৭ সালে স্থানীয় কাউন্টি অফিস নগ্ন গোসলের পক্ষে লোকজনের সাক্ষর সংগ্রহ করে।

তবে ওই সৈকতে সেখানে শিশুদের উপস্থিতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কোনো সংগঠন। 
এ বিষয়ে গ্যালাঘের ভাষ্য, এটা মোটেই কোনো পারিবারিক সৈকত নয়। 
এখানে অবশ্যই শিশুদের নেয়া ঠিক হবে না। তাদের জন্য এটা বিপদজনক হবে। 
কোনো শিশুকে সেখানে নিলে নজর রাখতে হবে। 
কারণ সেটি সাধারণ কোনো সৈকত হবে না।

গ্যালাঘের আরও বলেন, "আমরা শুধু কোনো আকর্ষণীয় সৈকতে যাচ্ছি না। 
আমরা আমাদের গাড়ি রেখে সেখানে যাবো, সেখানে আরোহণ করবো, বালুতে সময় কাটাবো এবং অন্য কেউ হয়তো সেখানে যেতে চাইবে না।


  বিবিসির খবর।
(তথ্যটি সংগৃহীত)

রহস্যময় দ্বীপ সেন্টিনেল

সেন্টিনেল দ্বীপ
সেন্টিনেল দ্বীপ

পৃথিবীতে এমন কিছু স্থান রয়েছে যেগুলিকে আধুনিক প্রযুক্তি দিয়েও জয় করা সম্ভব হয়নি। এরকমই একটি দ্বীপ হলো সেন্টিনেল দ্বীপ। এই রহস্যময় দ্বীপটি বঙ্গপোসাগরের বুকে অবস্থিত। নৃতাত্বিকদের মতে, প্রায় ৬০ হাজার বছর পূর্বে দ্বীপটি তৈরি হয়েছিল। এই দ্বীপটির আয়তন ৭২ বর্গকিলোমিটার।

কাগজে কলমে দ্বীপটি ভারতের অন্তর্ভুক্ত হলেও দ্বীপটির উপর ভারতের কোনো রকম কর্তৃত্ব নেই। ভারত সরকার বহুবার চেষ্টা করেও দ্বীপটি সম্পর্কে তেমন কিছু জানতে পারেনি। আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে, তারা দ্বীপটিতে ঢুকতেই পারেনি। এর একমাত্র কারণ হলো দ্বীপটিতে বসবাসরত অধিবাসীরা। দ্বীপটিতে কতোজন মানুষ বাস করে তার সঠিক কোনো হিসাবও পাওয়া যায়নি।
২০০১ সালে সরকারীভাবে দ্বীপটির ব্যাপারে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে সে চেষ্টা অসম্পূর্ণই রয়ে গেছে। অসম্পূর্ণ সেই পরিসংখ্যানে মাত্র ৩৯ জন বাসিন্দার উল্লেখ পাওয়া যায় দ্বীপটিতে। সেন্টিনেল দ্বীপের বসবাসরত অধিবাসীদের সেন্টিনাল জনগোষ্ঠী বলা হয়। এরা সভ্যতার আলো হতে দূরে থাকা এক শিকারী জনগোষ্ঠী। এরা ঠিক কোন ভাষায় কথা বলে তাও জানা যায়নি। ধারণা করা হয় এদের ভাষার সঙ্গে আন্দামানিক ভাষাগুলির মিল রয়েছে বলে জানা গেছে।

এই দ্বীপটির বাসিন্দারা প্রচণ্ড হিংস্র ও আদিম মানসিক্তার। এদের নিষ্ঠুরতার অনেক কাহিনীও শোনা যায়। শোনা যায়, ২০০৬ সালে দুই জেলে ভুলক্রমে নাকি ওই দ্বীপে ঢুকে পড়ে। দ্বীপের অধিবাসীরা তাদের মেরে ফেলে। জেলেদের উদ্ধারে পাঠানো হেলিকপ্টার হতে তাদের লাশ দেখা গিয়েছিল। এমনকি দ্বীপের অধিবাসীরা হেলিকপ্টার লক্ষ্য করেও তীর ছোড়া শুরু করে! যে কারণে জেলেদের উদ্ধার না করেই শেষ পর্যন্ত হেলিকপ্টারটি ফেরত আসতে বাধ্য হয়।
এই দ্বীপের বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বহুদিন ধরে। ১৯৬৭ সালে প্রথম ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দ্বীপের বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা শুরু করে। ভারতের ট্রাইবাল ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক টিএন পন্ডিতের নেতৃত্বে ওই সময় চেষ্টা শুরু করা হয়। যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা হিসেবে দ্বীপটির তীরে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উপহার রেখে আসা হতো। যেমন , খাবার- পোশাক ইত্যাদি।

তাতেও তাদের হিংস্র মানসিকতার কোনো রকম পরিবর্তন হয়নি। দ্বীপের কাছে কোনো নৌকা বা উপরে কোনো হেলিকপ্টার দেখলেই তীর, পাথর কিংবা বর্শা জাতীয় অস্ত্র ছুড়ে মারতো তারা। ১৯৯০ সালের দিকে মধ্য আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে বসবাসরত এরকমই একটি জনগোষ্ঠী “জারওয়া”দের সঙ্গে এক সংঘর্ষে বহিরাগত কিছু মানুষ প্রাণ হারান।
ওই ঘটনার পর ভারত সরকার সেন্টিনেল দ্বীপের বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা বন্ধ করে দেয়। আশেপাশের অন্তত ৩ মাইল এলাকার মধ্যে বাইরের পৃথিবীর মানুষের প্রবেশের ব্যাপারেও কড়াকড়ি আরোপ করে ভারতীয় সরকার।

ওই ঘটনার প্রায় এক শতাব্দী আগের কথা। ১৮৮০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলেও এই দ্বীপটির বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেবার দ্বীপের ৬ জন বাসিন্দাকেও তুলে আনা হয়। এরমধ্যে চারজন ছিলো শিশু। প্রাপ্তবয়স্ক দু’জনকে দ্বীপ হতে আনার পরপরই মারা যায়। বাকি বাসিন্দাদের কিছুদিন রাখার পর কোনো তথ্য না পেয়ে তাদের ওই দ্বীপে রেখে আসা হয়।
জানা যায়, ২০০৪ সালের সুনামিতে দ্বীপটির ক্ষয়-ক্ষতি হয়। এর কিছুদিনের মধ্যেই বাসিন্দারা আবারও সুনামির ধাক্কা কাটিয়ে ওঠে। সুনামির কিছুদিন পর এক হেলিকপ্টার হতে দ্বীপের বাসিন্দাদের স্বাভাবিক কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।

বর্তমানে দ্বীপটি ভারত সরকারের অধীনে থাকলেও, দ্বীপের অধিবাসীদের জীবনযাত্রায় বহির্জগতের প্রভাবমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্বীপটিতে যেতে বাধা না দেওয়া হলেও, ভারত সরকার বিশেষভাবে সতর্ক করে আসছে দ্বীপটিতে প্রবেশের ব্যাপারে। এক কথায় দ্বীপের বাসিন্দাদের কেও মাড়াতে চান না। তাদের মতো করেই বেঁচে থাকার অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চান না স্বয়ং ভারত সরকার। তাই বর্তমানে এই রহস্যময় দ্বীপটির বাসিন্দারা রয়েছেন তাদের মতো করেই। দুনিয়ার মানুষ অন্ধকারেই রইলো এই দ্বীপটিকে নিয়ে।

এক রহস্যময় দ্বীপ ‘টিপিটোওটি হিনুয়া’র গল্প

টিপিটোওটি হিনুয়া
টিপিটোওটি হিনুয়া
নেদারল্যান্ডের নৌ সেনাপতি জ্যাকব রজারভিন আবিষ্কার করেছিলেন জনবিচ্ছিন্ন এই দ্বীপ। সেটি আজকের কথা নয় সেই ১৭২২ খ্রিস্টাব্দের ৫ এপ্রিলের কথা। ওইদিন ছিল ইস্টার সানডে। যে কারণে তিনি এই দ্বীপটির নাম দেন ‘ইস্টার আইল্যান্ড’। এই দ্বীপটি চিলিতে অবস্থিত। কিন্তু এতোবছরেও দ্বীপটির রহস্য ভেদ হয়নি এখনও।


স্থানীয়রা এই দ্বীপটিকে বলে ‘টিপিটোওটি হিনুয়া’, যার অর্থ দাঁড়ায় পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল। এই দ্বীপটি অনেকটা ত্রিকোণ আকৃতির আগ্নেয় শিলা দিয়ে তৈরি। দ্বীপটির আয়তন লম্বায় ২৮.৬ কিলোমিটার আর চওড়ায় ১২.৩ কিলোমিটার।

নেদারল্যান্ডের নৌ সেনাপতি জ্যাকব রজারভিন দ্বীপটিতে নামার পর অবাক হয়ে যান ছড়ানো-ছিটানো শত শত মূর্তি দেখে! তিনি ধারণা করেছিলেন সামুদ্রিক ঝিনুকের খোলের চুর্ণের সঙ্গে বিশেষ এক ধরনের কাদার প্রলেপ দিয়ে মূলত মূর্তিগুলো তৈরি করা হয়েছে। তবে পরবর্তী সময়ে তার সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। সব মূর্তিগুলোই নিরেট কালো ও লালচে পাথরে খোদাই করে তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন আকৃতির মূর্তিগুলোর উচ্চতা ৩ হতে ৩০ ফুট পর্যন্ত। এইসব এক একটা মূর্তির ওজন আবার কয়েক টন।

গবেষণা হতে আরও জানা যায়, দ্বীপটিতে আদিবাসীদের বসবাস থাকলেও তাদের দ্বারা ওই মূর্তি বানানো কখনও সম্ভব ছিল না। জ্যাকব রজারভিনের ইস্টার আইল্যান্ডের মূর্তিগুলোর উপাদান ও গঠন শিল্পের সঙ্গে মিসরের পিরামিডের যথেষ্ট মিল রয়েছে। প্রায় ৭ হাজার বছর পূর্বের পিরামিডের সঙ্গে মূর্তিগুলোর মিল সত্যিই অবাক করে দেয়। ঐতিহ্যের কারণে ইউনেস্কো এই দ্বীপটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে। তবে এই দ্বীপের প্রকৃত রহস্য এখনও সবার অজানা।



পুরুষের সফলতার পিছনে নারীর হাত

থাইল্যান্ডের একটি কুমিরের খামারে একটি কোম্পানির বার্ষিক বনভোজন চলাকালীন ... কোম্পানীর চেয়ারম্যান ঘোষনা দিলেন
যে, কোন কর্মচারী যদি কুমিরে ভরা এই পুকুর সাতরে এপার থেকে উপারে গিয়ে জীবন নিয়ে বেঁচে উঠতে পারে তবে সে ৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার পাবে আর যদি সে মারা যায় তবে তাঁর পরিবার ২ মিলিয়ন ডলার পাবে। দীর্ঘক্ষন ধরে কেউই চ্যালেঞ্জ নিতে সাহস করেনি।
তারপর হঠাৎ একজন মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তার জীবনহানির কথা ভেবে পাড়ে দাঁড়ানো সবাই আফসোস করতে থাকে।
তবে সৌভাগ্যক্রমে সে অক্ষত অবস্থায় পুকুরটি পার হতে সক্ষম হয়।
হাঁপাতে হাঁপাতে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার পর তাত্ক্ষণিক মিলিওনেয়ার বনে যাওয়া লোকটি চেঁচিয়ে বলতে থাকে- “আমাকে কে ধাক্কা দিয়েছিল?” দূর্ভাগ্যক্রমে কাজটি তার স্ত্রীই করেছিল !!! এবং সেই দিন থেকে এই প্রবাদটি চালু আছে যে, "পুরুষের প্রত্যেক সফলতার পিছনে একজন নারীর হাত আছে”

A village fair - paragraph | Nhrepon.com


A village fair


A village fair is an annual gathering of the village people. 
In a village fair the people gather to sell and buy local products.
 A village fair sits once a year. 
It generally held on the Bangla New Year’s Day.
It is also held on the occasion of religious festivals or on the birth day and death anniversary of a saint or a peer.
 It sits on the bank of a river, an open place or near a Mazar or temple.
 It last for a day, a week or for a fortnight. 
Men, women and children gather here in large number. 
The goods which the village people need in their domestic life come here. 
The dolls, wooden things, earthen pots and jars, bamboo-made basket, fancy goods, toys and sweetmeats are sold in a village fair. 
There are many attractions of a village fair. 
Jatra, circus, kite flying, marry-go-round and puppet show are the chief attractions of a village fair. 
A village fair plays an important role on rural life. 
A village fair is useful to the villagers. 
It provides amusement to the village people. 
The weavers, black-smith and carpenters earn money by selling their products. 
So, it helps the growth of cottage industry and small-scale trade. 
The villagers can buy the goods and tools that they need in their daily life.
 It is a great charm to the village people.










A winter morning - paragraph | Nhrepon.com

A winter morning

A winter morning means a cold and foggy morning in winter. 
There is dense fog everywhere. 
Nature looks dull in a winter morning.
 Everything looks hazy. 
The leaves of trees are covered with fog and they are not seen from a distance.
Dew drops on earth from the leaves of trees. 
The animals cry and old people shiver in cold. 
They don’t want to go out. 
The sun usually rises late in a winter morning. 
The children and the men are afraid of the biting cold in a winter morning.
 They get up late from bed. 
The farmers go to their fields late. 
The old people and the children gather straw, make fire and sit around it to warm themselves. 
When the sun rises, they bask in the sun.
 It is the time of date juice. 
So, people eat delicious pias, bhapa pitha and other sweet cake in winter morning.
 I like a winter morning because of its sweet moment. 
But i can’t study well because of the biting cold.